২ জানুয়ারি রাশিফল: চন্দ্রের প্রভাবে কোন রাশির নতুন কাজের পরিকল্পনা আজ সফল হবে?
জেনে নিন আজকের রাশিফল।
কালান্তার ( ০২ জানুয়ারী ২০২৬ )
কালান্তর পত্রিকা পড়তে এবং ডাউনলোড করতে READ MORE বাটনের উপর ক্লিক করুন। Copyrighted and all rights reserved by Kalantar
মোবাইল দিয়ে পিঠ ‘স্ক্যান’করে বাংলাদেশি খুঁজছে যোগীর পুলিশ! ভাইরাল ভিডিও
বিতর্কের মুখে এখনও কোনও বিবৃতি দেয়নি পুলিশ।
BJP in Bengal: নতুন বছরের শুরুতেই বাংলায় আসছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা
BJP: ইতিমধ্যেই জে পি নাড্ডাকে দলীয় বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বলে খবর। নির্বাচনের আগে তাঁর এই সফরকে সাংগঠনিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে রাজ্য বিজেপি। সব ঠিক থাকলে, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কর্মসূচির পাশাপাশি ওইদিন রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে একটি বিশেষ রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসতে পারেন নাড্ডা।
Kalpataru Festival: কেন নতুন বছরের প্রথম দিনেই পালিত হয় কল্পতরু উৎসব? জেনে নিন আসল কারণ
Amit Shah: বঙ্গ বিজেপি নেতাদের ফের ২০০ আসন জয়ের টার্গেট
Amit Shah in Bengal: সূত্রের খবর, বিজেপির কোর কমিটির বৈঠকে অমিত শাহ দলের বর্তমান সাংগঠনিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। দলীয় সূত্রের খবর, আসন্ন নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে প্রত্যেক স্তরের নেতাকর্মীদের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট 'টার্গেট' বা লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন তিনি। চর্চা রাজনৈতিক আঙিনায়।
Canning: ক্যানিং থানার মহিলা হোমগার্ডের মৃত্যুতে অবশেষে গ্রেফতার সাব ইন্সপেক্টর
Mysterious Death: অভিযোগ পেতেই মাঠে নামে পুলিশ। ক্যানিং থানার মহিলা হোমগার্ড গুলজার পারভিন মোল্লার মৃত্যুর ঘটনায় পাঁচ দিন পলাতক থাকার পর অবশেষে গ্রেফতার হলেন ক্যানিং থানারই সাব ইন্সপেক্টর (SI) সায়ন ভট্টাচার্য। বৃহস্পতিবার স্বরূপনগর এলাকায় এক আত্মীয়র বাড়িতে গা-ঢাকা দিয়ে থাকা অবস্থায় তাঁকে হাতে-নাতে ধরে ফেলে পুলিশ।
Tamanna’s Case: কালীগঞ্জের তামান্নার মায়ের শারিরীক অবস্থার অবনতি
Kaliganj Case: সাবিনার পরিবারের দাবি, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালীন মাত্র একদিনের মাথায় তাঁকে একপ্রকার জোর করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে সরাসরি পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে। তাঁরা বলছেন চিকিৎসকরা সাবিনাকে ছাড়তে না চাইলেও পুলিশের চাপেই ছাড়া হয়েছে।
জঙ্গি হামলা নয়, একটি মোমবাতিতেই পুড়ে খাক সুইস পানশালা!
অগ্নিকাণ্ডে ঝলসে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৪০ জনের।
মুখে মদের গন্ধ! ভ্যাঙ্কুভার বিমানবন্দরে আটক এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট, শুরু তদন্ত
দিল্লিগামী বিমানের ককপিট থেকে নামানো হয় তাঁকে।
হাজার হাজার টাকা সাশ্রয়ে নিন আইফোন ১৭, ৮০০ টাকায় কিনুন রুম হিটার, বছরের শুরুতেই বিরাট ধামাকা
নতুন বছরের শুরুতেই গ্রাহকদের জন্য বড় সুখবর দিল অ্যাপল। আইফোন ১৭-এর দামে বিরাট কাটছাঁট। অ্যাপলের এক্সক্লুসিভ পার্টনার iNvent-এর মাধ্যমে এই ফোনে মিলছে প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়। ফ্ল্যাট ডিসকাউন্টের পাশাপাশি রয়েছে ব্যাঙ্ক ছাড় ও এক্সচেঞ্জ বোনাস, যার ফলে আইফোন ১৭ এখন আগের তুলনায় অনেক কম দামে কেনা যাচ্ছে। অ্যাপল গত বছরের সেপ্টেম্বরে আইফোন ১৭ সিরিজ লঞ্চ করেছিল। ভারতে আইফোন ১৭-এর প্রারম্ভিক দাম রাখা হয়েছে ৮২,৯০০ টাকা। এই ফোনটি ২৫৬ জিবি এবং ৫১২ জিবি দুটি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টে উপলব্ধ। বর্তমানে ক্রেতারা ৪,০০০ টাকার ফ্ল্যাট ক্যাশব্যাক পাচ্ছেন, যার ফলে ফোনটির কার্যকর দাম নেমে এসেছে ৭৮,৯০০ টাকায়। এর পাশাপাশি রয়েছে অতিরিক্ত ৪,০০০ টাকার ব্যাঙ্ক ছাড় এবং ৬,০০০ টাকার এক্সচেঞ্জ বোনাস। সব মিলিয়ে, এই অফারের আওতায় আইফোন ১৭-এর দাম শুরু হচ্ছে মাত্র ৬৮,৯০০ টাকা থেকে। যাঁদের কাছে পুরনো আইফোন রয়েছে এবং সেটি ভালো অবস্থায় আছে, তাঁরা এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে আরও বেশি ছাড় পেতে পারেন। তবে এক্সচেঞ্জ বোনাস পেতে হলে পুরনো ফোনের অবস্থা ভালো হওয়া বাধ্যতামূলক। দিল্লি, বেঙ্গালুরু, নয়ডা, পাঞ্জাব এবং হিমাচল প্রদেশ-সহ একাধিক শহরে iNvent-এর অফলাইন স্টোরে এই অফার পাওয়া যাচ্ছে। ফিচারের দিক থেকেও আইফোন ১৭ যথেষ্ট শক্তিশালী। ফোনটিতে রয়েছে ৬.৩ ইঞ্চির প্রোমোশন ডিসপ্লে, যা ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট এবং সর্বোচ্চ ৩,০০০ নিট উজ্জ্বলতা সাপোর্ট করে। ডিসপ্লেটি সুরক্ষিত থাকছে সিরামিক শিল্ড ২-এর মাধ্যমে। পারফরম্যান্সের জন্য এতে রয়েছে অ্যাপলের সর্বশেষ A19 বায়োনিক চিপসেট। ক্যামেরা সেগমেন্টে আইফোন ১৭-এ রয়েছে ডুয়াল ক্যামেরা সেটআপ। এতে ৪৮ মেগাপিক্সেলের মেইন ক্যামেরার সঙ্গে রয়েছে ১২ মেগাপিক্সেলের টেলিফটো ক্যামেরা। সেলফি ও ভিডিও কলের জন্য ফোনটিতে দেওয়া হয়েছে ১৮ মেগাপিক্সেলের সেন্টার স্টেজ ক্যামেরা। আইফোন ১৭ iOS ২৬-এ চলে এবং এতে অ্যাপল ইন্টেলিজেন্সের আধুনিক ফিচারও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। নতুন বছরের শুরুতেই শীতের দাপট চরমে। পাহাড়ি অঞ্চলের পাশাপাশি সমতলেও পারদ দ্রুত নামছে, ফলে হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় নাজেহাল সাধারণ মানুষ। এই পরিস্থিতিতে ঘরে বৈদ্যুতিক হিটার স্বস্তির অন্যতম ভরসা হয়ে উঠছে। যাঁরা শীতের মরসুমে কম বিদ্যুৎ খরচে সাশ্রয়ী দামে ইলেকট্রিক হিটার কিনতে চাইছেন, তাঁদের জন্য রয়েছে একাধিক ভালো বিকল্প। ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম অ্যামাজনে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী বেশ কিছু ইলেকট্রিক হিটার ১,০০০ টাকার কাছাকাছি দামে পাওয়া যাচ্ছে। ইলেকট্রিক হোম অ্যাপ্লায়েন্স নির্মাতা সংস্থা উষার ২ রড কোয়ার্টজ ইলেকট্রিক হিটার বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে ১,১৯৯ টাকায়। এই হিটারের দামে প্রায় ৪০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়েছে। এতে রয়েছে ৮০০ ওয়াটের লো-পাওয়ার এলিমেন্ট, যা তুলনামূলকভাবে কম বিদ্যুৎ খরচ করে। নিরাপত্তার জন্য এতে কুল টাচ বডি ও টিপ-ওভার প্রোটেকশনের মতো সুবিধা দেওয়া হয়েছে। সংস্থার পক্ষ থেকে এই হিটারের সঙ্গে ১ বছরের ওয়ারেন্টিও মিলছে। হোম অ্যাপ্লায়েন্স প্রস্তুতকারক অরপ্যাটের ইলেকট্রিক হিটারটি বিক্রি হচ্ছে ১,১৯০ টাকায়, যেখানে প্রায় ৮ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়েছে। এই হিটারটিতে রয়েছে ২০০০ ওয়াটের শক্তিশালী এলিমেন্ট এবং হাই-পাওয়ার ব্লোয়ার, যা দ্রুত গরম বাতাস ছড়িয়ে দিতে সক্ষম। এতে ১০০০ ওয়াট ও ২০০০ ওয়াট দুটি আলাদা হিট সেটিং দেওয়া হয়েছে, ফলে ব্যবহারকারীরা প্রয়োজন অনুযায়ী বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে পারেন। ওরিয়েন্ট ইলেকট্রিকের স্টার্ক কোয়ার্টজ রুম হিটার বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ১,০৯৯ টাকায়। এই হিটারের উপর দেওয়া হচ্ছে প্রায় ৫৯ শতাংশ ছাড়। এতে রয়েছে ৮০০ ওয়াটের লো-পাওয়ার কনজাম্পশন এলিমেন্ট, পাশাপাশি নিরাপত্তার জন্য টিপ-ওভার প্রোটেকশন এবং দুটি হিটিং রড দেওয়া হয়েছে। সংস্থার তরফে এই রুম হিটারের সঙ্গেও ১ বছরের ওয়ারেন্টি মিলছে। সবচেয়ে সস্তা বিকল্প হিসেবে রয়েছে লংওয়ে ম্যাগমা ইলেকট্রিক রুম হিটার, যার দাম রাখা হয়েছে মাত্র ৭৯৯ টাকা। এই হিটারে প্রায় ৬৫ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পাওয়া যাচ্ছে। এতে ১০০০ ওয়াট ও ২০০০ ওয়াট দুটি মোড রয়েছে, যা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সাহায্য করে। পাশাপাশি এতে রয়েছে অ্যাডভান্স ওভারহিট প্রোটেকশন, পিটিসি সিরামিক এলিমেন্ট এবং ১ বছরের ওয়ারেন্টি, যা বাজেটের মধ্যে একটি আকর্ষণীয় বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আরও পড়ুন- ইউটিউবে ১ বিলিয়ন ভিউ? জানেন কত আয়? জানলে মাথা ঘুরে যাবে আরও পড়ুন- ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে AIRTEL-এর রিচার্জ প্ল্যানের দাম, আজই ফায়দা নিন, এক বছর থাকুন টেনশন ফ্রি ! আরও পড়ুন- এ কীভাবে মিলবে Golden Button? মাসে আয় শুনলে মাথা ঘুরে যাবে আরও পড়ুন- আইফোনে এবার ধামাকা অফার, একাধিক প্রিমিয়াম মডেলে বিরাট ছাড়ের বড় সুযোগ আরও পড়ুন- নতুন বছরে কতটা দামি হচ্ছে মোবাইল রিচার্জ প্ল্যানের দাম? জানলে মাথা ঘুরে যাবে আরও পড়ুন- আগামী এক বছর আর রিচার্জ নয়! বিরাট ঘোষণায় বাজারে সুনামি তুলল Jio, হ্যাপি নিউ ইয়ার প্ল্যানের বড় চমক
Lucky Thread Color: লাল, কালো, হলুদ না কমলা—হাতে কোন রঙের ডোর বাঁধা শুভ? জানুন পরার নিয়ম
Lucky Thread Color: হিন্দু ধর্মে বিশ্বাস করা হয়, মানুষের জীবনে শুভ ও অশুভ শক্তির প্রভাব সব সময় কাজ করে। সেই কারণেই প্রাচীন কাল থেকে নানা উপচার ও প্রতীক ব্যবহারের চল রয়েছে, যার মাধ্যমে মানুষ নিজের জীবনকে সুরক্ষিত ও মঙ্গলময় করার চেষ্টা করে। হাতে রংবেরঙের সুতো বাঁধাও তেমনই এক গুরুত্বপূর্ণ বিশ্বাসভিত্তিক উপচার। অনেকেই এটি শুধুই অভ্যাস হিসেবে পরেন, কিন্তু শাস্ত্রমতে এই সুতোর রং, পরার নিয়ম এবং সময়ের উপরেই নির্ভর করে তার শুভ ফল। হিন্দু ধর্মের বহু মানুষ মন্দিরে গিয়ে দেবদেবীর চরণে ছোঁয়ানো সুতো হাতে বাঁধেন। বিশ্বাস করা হয়, এই সুতো দেবতার আশীর্বাদের প্রতীক হয়ে সারাক্ষণ মানুষের সঙ্গে থাকে। তবে যে কোনও সুতো পরার আগে শুদ্ধিকরণের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাজার থেকে কেনা হোক বা তীর্থস্থান থেকে আনা হোক, সুতো পরার আগে তাতে গঙ্গাজল ছিটিয়ে নেওয়া উচিত। এর মাধ্যমে সুতোর অশুদ্ধতা দূর হয় এবং তা পরিধানের উপযোগী হয়ে ওঠে। আরও পড়ুন- পরিবার অন্তপ্রাণ, চোখের মণি হন স্বজনেরাই, বাড়ির লোকেদের জন্য প্রাণপাত করেন এই ৫ রাশির ব্যক্তিরা শাস্ত্র অনুযায়ী পুরুষেরা ডান হাতে এবং নারীরা বাঁ হাতে সাধারণত সুতো বাঁধেন। তবে কিছু ক্ষেত্রে বৈবাহিক অবস্থার ওপরেও এই নিয়ম বদলায়। সুতো পরার সময় মন শান্ত রাখা এবং ঈশ্বরের নাম স্মরণ করা হলে তার ফল আরও বেশি কার্যকর হয় বলেই বিশ্বাস করা হয়। আরও পড়ুন- নতুন বছরে এই ৫ ধরনের মানুষ থেকে দূরে থাকুন, না হলে পিছিয়ে পড়বেন! হলুদ রঙ হিন্দু ধর্মে অত্যন্ত শুভ বলে মানা হয়। হলুদ রঙের সঙ্গে জ্ঞান, সৌভাগ্য এবং সমৃদ্ধির গভীর সম্পর্ক রয়েছে। হাতে হলুদ সুতো বাঁধলে কর্মক্ষেত্রে উন্নতি ঘটে বলে মনে করা হয়। জীবনে স্থায়িত্ব আসে, মানসিক অস্থিরতা কমে এবং বহুদিনের ইচ্ছাপূরণ হওয়ার পথ খুলে যায়। যাঁরা নতুন কাজ শুরু করতে চলেছেন বা শিক্ষাক্ষেত্রে উন্নতির কামনা করছেন, তাঁদের জন্য হলুদ সুতো বিশেষভাবে শুভ বলে শাস্ত্রে উল্লেখ রয়েছে। আরও পড়ুন- আজ বৃহস্পতিবার কোন কাজ করলে আসবে টাকা, জানলে অবহেলা করবেন না! লাল সুতো সবচেয়ে বেশি প্রচলিত এবং পরিচিত। অধিকাংশ মন্দিরেই প্রসাদ হিসেবে লাল সুতো দেওয়া হয়। এই রঙ শক্তি, সাহস এবং সুরক্ষার প্রতীক। বিশ্বাস করা হয়, লাল সুতো হাতে বাঁধলে অশুভ শক্তি দূরে থাকে এবং দেবদেবীর কৃপা লাভ করা যায়। পারিবারিক অশান্তি কমে, আর্থিক অবস্থার উন্নতি হয় এবং শারীরিক দুর্বলতা কাটে। বিশেষ কিছু তিথিতে দেবতার চরণে ছুঁইয়ে এই সুতো বাঁধলে তার ফল আরও বৃদ্ধি পায় বলেই ধর্মীয় বিশ্বাস। আরও পড়ুন- বিড়ালের মূর্তি থেকে অ্যাকোয়ারিয়াম, বাড়িতে রাখুন এই জিনিসগুলি, বদলে যেতে পারে খারাপ সময় কমলা রঙ সাধারণত ত্যাগ, ধর্ম এবং আধ্যাত্মিকতার প্রতীক। যদিও বাঙালি সমাজে কমলা সুতো বাঁধার প্রচলন তুলনামূলক কম, তবু শাস্ত্রমতে এই রঙের সুতো সমাজে সম্মান এবং প্রতিপত্তি বৃদ্ধি করে। যাঁরা নেতৃত্বস্থানীয় কাজে যুক্ত বা সামাজিক সম্মান লাভের ইচ্ছা রাখেন, তাঁদের জন্য কমলা সুতো উপকারী বলে মনে করা হয়। এটি মানুষের মানসিক দৃঢ়তাও বাড়ায়। কালো রঙকে অনেকেই অশুভ মনে করলেও শাস্ত্রীয় বিশ্বাসে কালো সুতো বিশেষ সুরক্ষাকবচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। হাতের কব্জিতে কালো সুতো বাঁধলে নজরদোষ, কুনজর এবং অশুভ শক্তির প্রভাব থেকে রক্ষা পাওয়া যায় বলে বিশ্বাস করা হয়। দুর্ঘটনার আশঙ্কা কমে এবং মানসিক শান্তি বজায় থাকে। বিশেষ করে যাঁরা বারবার অকারণে সমস্যায় পড়েন বা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে যান, তাঁদের জন্য কালো সুতো উপকারী হতে পারে। শাস্ত্রসম্মত নয় তবে মনে রাখা জরুরি, শুধুমাত্র সুতো বাঁধলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে এমন ধারণা শাস্ত্রসম্মত নয়। বিশ্বাস, নিয়ম পালন এবং ইতিবাচক মনোভাব এই উপচারের মূল শক্তি। সুতো ছিঁড়ে গেলে বা নিজে থেকে খুলে গেলে তা পুনরায় শুদ্ধিকরণ করে পরা উচিত অথবা নতুন সুতো গ্রহণ করা উচিত। সব মিলিয়ে বলা যায়, হাতে রংবেরঙের সুতো বাঁধা শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় রীতি নয়, বরং মানুষের বিশ্বাস এবং মানসিক শক্তির সঙ্গে বিষয়টি গভীরভাবে যুক্ত একটি উপচার। সঠিক নিয়ম মেনে, প্রয়োজন অনুযায়ী রঙ বেছে সুতো পরলে তা জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলেই বিশ্বাস করা হয় শাস্ত্রে।
অন্তঃসত্ত্বার ইচ্ছেকেই অগ্রাধিকার, তরুণীকে স্বামীর সম্মতি ছাড়াই গর্ভপাতের অনুমতি হাই কোর্টের
২১ বছর বয়সি ওই তরুণীর গর্ভস্ত ভ্রূণের বয়স ১৬ সপ্তাহ।
New Year’s Picnic: বন্ধুকে বাঁচাতে গিয়ে সলিল সমাধি, নববর্ষের পিকনিকে মর্মান্তিক পরিণতি যুবকের
New Year's Picnic: স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নববর্ষ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার কাঞ্চননগর চণ্ডীতলা এলাকায় ডিভিসি সেচখালের ধারে পিকনিক করতে গিয়েছিলেন একদল যুবক। দুপুর নাগাদ তাঁদেরই একজন বিজয় দাস স্নান করতে সেচখালের জলে নামেন। কিন্তু খালের জলে আচমকাই তিনি তলিয়ে যেতে শুরু করেন বন্ধুকে ডুবতে দেখে স্থির থাকতে পারেননি দীপঙ্কর শীল।
Kajal Seikh: আর নেই কেষ্টর ভরা বাজার! এবার আড়াই কেজির রুপোর তরোয়াল উঠল কাজলের হাতে
2.5 kg silver sword: আয়োজক কমিটি অর্থাৎ থুপপাড়া অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কাজল শেখকে দেওয়া ওই বিশেষ তরোয়ালটির ওজন প্রায় আড়াই কেজি। উপহার গ্রহণের পর রীতিমতো উচ্ছ্বাসের সঙ্গহে কাজল শেখ দলের অন্যান্য নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে মঞ্চে সেই তরোয়াল তুলে ধরেন।
Long Weekend 2026: ২০২৬-এ কবে পাচ্ছেন কতদিনের ছুটি? বেড়ানোর পরিকল্পনা থাকলে বুলিয়ে নিন চোখ!
Long Weekend 2026: নতুন বছর মানেই নতুন পরিকল্পনা, নতুন স্বপ্ন এবং কাজের ফাঁকে একটু নিঃশ্বাস নেওয়ার সুযোগ। ২০২৬ সাল সেই দিক থেকে ভ্রমণপ্রেমী এবং ছুটি ভালোবাসা মানুষের জন্য বেশ সুখবর নিয়ে আসছে। এই বছরে একাধিক লম্বা ছুটি থাকায় খুব বেশি ছুটি না নিয়েই পরিবার, সঙ্গী কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে যাওয়ার সুযোগ মিলবে। ঠিকঠাক পরিকল্পনা করলে অফিসের কাজের চাপ সামলেও ছোট ছুটিতেই বড় রিফ্রেশ পেতে পারেন। ২০২৬ সালের জানুয়ারির শুরুতেই বছরের প্রথম দীর্ঘ সপ্তাহান্তের সুযোগ আসছে। প্রজাতন্ত্র দিবস সোমবার হওয়ায় শনিবার ও রবিবার মিলিয়ে টানা তিন দিনের ছুটি পাওয়া যাবে। বছরের শুরুতেই এই ছুটি মানসিকভাবে বেশ উপকারী, কারণ নতুন কাজের গতি তুঙ্গে ওঠার আগেই একটি ছোট ভ্রমণ বা পারিবারিক সময় কাটানোর সুযোগ মিলবে। আরও পড়ুন- নতুন বছরের প্রথম দিনে বাড়িতে এই জিনিস রাখলে বদলে যেতে পারে ভাগ্য! ফেব্রুয়ারি-মার্চ ফেব্রুয়ারির শেষ এবং মার্চের শুরুতে হোলিকে কেন্দ্র করে বড় ছুটি আসছে। কয়েক দিন অতিরিক্ত ছুটি নিলে টানা পাঁচ দিনের ছুটি পাওয়া যাবে। বসন্তের সময় আবহাওয়া আরামদায়ক থাকায় এই সময় পাহাড়, গ্রাম বা কাছাকাছি কোনও শান্ত জায়গা ঘুরে আসার জন্য আদর্শ। পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে এই সময় কাটালে মানসিক চাপ অনেকটাই কমে যাবে। আরও পড়ুন- ২০২৬ সালে অফিসে এই ৫ ভুল করলে কেরিয়ার আটকে যাবে! এপ্রিল এপ্রিল মাসেও একটি সুন্দর তিন দিনের ছুটি আছে। শুক্রবারকে কেন্দ্র করে এই ছুটিতে খুব দূরে না গিয়েও কাছাকাছি কোনও জায়গায় একরাতের ভ্রমণ পরিকল্পনা করা যেতে পারে। বছরের মাঝামাঝি কাজের ক্লান্তি বাড়তে শুরু করলে এই ছোট বিরতি বেশ কাজে দেবে। আরও পড়ুন- নতুন বছরে বসকে পাঠান এই শুভেচ্ছাবার্তা, সম্পর্ক হবে আরও শক্তিশালী মে মে মাসে বুদ্ধ পূর্ণিমাকে কেন্দ্র করে আরও একটি লম্বা ছুটি পাওয়া যাবে। গ্রীষ্মের শুরু হলেও এই সময় অনেকেই পাহাড় বা জলাশয়ের ধারে সময় কাটাতে পছন্দ করেন। খুব বেশি খরচ না করেও পরিবার নিয়ে এই সময় একটি ছোট ছুটির আনন্দ নেওয়া সম্ভব। আরও পড়ুন- স্বাগত ২০২৬! ভারত ও বিশ্বজুড়ে নতুন বছর উদযাপনের আপডেট দেখুন আগস্ট অগস্ট মাসে স্বাধীনতা দিবস শনিবার হওয়ায় একদিনের ছুটি পাওয়া গেলেও, শুক্রবার ছুটি নিলে তিন দিনের ছোট ছুটি তৈরি করা যায়। বর্ষাকালের শেষের দিকে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য এই সময় বেশ উপযুক্ত। পাহাড়, বনাঞ্চল বা গ্রামের পরিবেশ এই সময় অন্যরকম রূপ নেয়। অক্টোবর অক্টোবর মাস ২০২৬ সালে ছুটির দিক থেকে সবচেয়ে আকর্ষণীয়। গান্ধী জয়ন্তী শুক্রবার হওয়ায় তিন দিনের ছুটি মিলবে। পাশাপাশি দশেরাকে কেন্দ্র করে কয়েক দিন ছুটি নিলে টানা পাঁচ দিনের দীর্ঘ সপ্তাহান্ত উপভোগ করা সম্ভব। উৎসবের মরশুমে এই সময় পরিবার নিয়ে গ্রামে যাওয়া বা ধর্মীয় স্থানে ভ্রমণের পরিকল্পনা করাই যায়। নভেম্বর নভেম্বর মাসে দীপাবলিকে কেন্দ্র করে আবারও একটি দীর্ঘ সপ্তাহান্ত আসছে। উৎসবের আনন্দে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর এই সুযোগ অনেকের কাছেই বছরের সবচেয়ে প্রিয় সময় হয়ে ওঠে। কাজের ব্যস্ততার মাঝেও এই সময় মানসিক শান্তি ফিরে পাওয়া যায়। ডিসেম্বর বছরের শেষ দিকে ডিসেম্বর মাসে বড়দিন শুক্রবার হওয়ায় আবার তিন দিনের সুন্দর একটি সপ্তাহান্ত পাওয়া যাবে। নতুন বছরের আগে এই সময় একটি ছোট ট্যুর বা শান্ত অবকাশ কাটানো অনেকের কাছেই অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। বছরের শেষ হিসাব-নিকাশ আর পরিকল্পনার আগে এই ছুটি মানসিকভাবে খুব উপকারী। এই দীর্ঘ সপ্তাহান্তগুলির সবচেয়ে বড় সুবিধা হল কম ছুটি নিয়েই বেশি সময়ের বিশ্রাম পাওয়া। তবে উৎসব এবং সপ্তাহান্তে ভ্রমণের চাহিদা বেশি থাকায় ট্রেন, বিমান এবং হোটেলের ভাড়া দ্রুত বেড়ে যায়। তাই আগেভাগে পরিকল্পনা ও বুকিং করলে খরচ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। যদি ভ্রমণের সুযোগ না থাকে, তবে এই সময়গুলো পরিবার এবং বন্ধুদের সঙ্গে ভালো মানের সময় কাটানোর জন্যও দারুণ উপযোগী। ২০২৬ সালের এই লম্বা ছুটিগুলি ঠিকঠাক কাজে লাগাতে পারলে কাজ ও ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে সুন্দর ভারসাম্য বজায় রাখা অনেক সহজ হয়ে যাবে।
SIP Calculator: কোটি টাকার বড় অঙ্কের তহবিল গড়তে মাত্র ৫,০০০ টাকার SIP? কোটিপতি হতে কত সময় লাগবে?
SIP Calculator: প্রতি মাসে ৫,০০০ টাকার SIP করলে ১ কোটি টাকার তহবিল গড়তে কত সময় লাগবে? জেনে নিন সম্পূর্ণ হিসাব অল্প অল্প সঞ্চয় করে কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখেন বহু মানুষ। অনেকেরই ধারণা, কোটি টাকার সম্পদ গড়তে বড় অঙ্কের বেতন বা এককালীন মোটা বিনিয়োগ প্রয়োজন। কিন্তু সিস্টেম্যাটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান বা SIP সেই ধারণাকে ভেঙে দিয়েছে। নিয়মিত বিনিয়োগ, সময় এবং কমপাউন্ড ইন্টারেস্টের মাধ্যমেই ধীরে ধীরে বড় অঙ্কের সম্পদ তৈরি করা সম্ভব। প্রতি মাসে মাত্র ৫,০০০ টাকা করে বিনিয়োগ করলে ১ কোটি টাকার তহবিলে পৌঁছাতে কত সময় লাগতে পারে, জানুন আজকের এই প্রতিবেদনে। SIP ক্যালকুলেটর অনুযায়ী, কেউ যদি প্রতি মাসে ৫,০০০ টাকা করে SIP-এ বিনিয়োগ করেন এবং গড়ে বছরে ১২ শতাংশ রিটার্ন পান, তাহলে কোটিপতি হতে তার প্রায় ২৭ বছর সময় লাগবে। এই দীর্ঘ সময়ে বিনিয়োগকারীর মোট নিজস্ব বিনিয়োগের অঙ্ক হবে প্রায় ১৬.২০ লক্ষ টাকা। কিন্তু চক্রবৃদ্ধির জোরে সেই বিনিয়োগের মূল্য বেড়ে দাঁড়াতে পারে ১ কোটি টাকারও বেশি, অর্থাৎ প্রায় ১.০৮ কোটি টাকা। এই বিপুল অঙ্কের বড় অংশই আসে চক্রবৃদ্ধির প্রভাবে। প্রথম ১০ থেকে ১২ বছরে বিনিয়োগের বৃদ্ধি তুলনামূলক ধীরগতির হলেও, সময় যত এগোয় ততই রিটার্নের উপর রিটার্ন যোগ হতে থাকে। বিশেষ করে শেষ ৮ থেকে ১০ বছরে বিনিয়োগের মূল্য দ্রুত বাড়তে শুরু করে। এই কারণেই দীর্ঘমেয়াদে SIP চালিয়ে যাওয়াকে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। গড়ে ১২ শতাংশ রিটার্ন কতটা বাস্তবসম্মত, সেই প্রশ্নও ওঠে। বাজারের ওঠানামা সত্ত্বেও, ভালো ইক্যুইটি মিউচুয়াল ফান্ডগুলি দীর্ঘমেয়াদে গড়ে ১১ থেকে ১৩ শতাংশ রিটার্ন দিয়েছে। যদিও এই রিটার্নের কোনও নিশ্চয়তা নেই, তবুও বাজারে মন্দার সময় নিয়মিত SIP চালিয়ে গেলে দীর্ঘমেয়াদে ভালো ফল পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে বলেই জানিয়েছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা। যদি কেউ কম সময়ে ১ কোটি টাকার লক্ষ্যে পৌঁছাতে চান, তাহলে বিনিয়োগের অঙ্ক বাড়িয়ে নেওয়া একটি উপায় হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, প্রতি মাসে ৭,০০০ বা ১০,০০০ টাকা করে SIP করলে সময়সীমা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে। পাশাপাশি, যত তাড়াতাড়ি বিনিয়োগ শুরু করা যায়, তত বেশি সময় চক্রবৃদ্ধির সুবিধা পাওয়া যায়। এই হিসাব থেকে বিনিয়োগকারীদের জন্য মূল শিক্ষা হল কোটিপতি হওয়ার জন্য বড় অঙ্ক দিয়ে শুরু করাই একমাত্র পথ নয়। প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা, নিয়মিত বিনিয়োগের অভ্যাস এবং দীর্ঘমেয়াদে ধৈর্য ধরে থাকার মানসিকতা। আজই যদি ৫,০০০ টাকার SIP শুরু করা যায় এবং মাঝপথে তা বন্ধ না করা হয়, তাহলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ১ কোটি টাকার লক্ষ্যও বাস্তবে পরিণত হতে পারে। আরও পড়ুন- ২০২৬-এ সোনা-রূপার দাম আরও বাড়বে নাকি কমবে? সামনে এল বিস্ফোরক পরিসংখ্যান আরও পড়ুন- ইউটিউবে ১ বিলিয়ন ভিউ? জানেন কত আয়? জানলে মাথা ঘুরে যাবে আরও পড়ুন- ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে AIRTEL-এর রিচার্জ প্ল্যানের দাম, আজই ফায়দা নিন, এক বছর থাকুন টেনশন ফ্রি ! আরও পড়ুন- এ কীভাবে মিলবে Golden Button? মাসে আয় শুনলে মাথা ঘুরে যাবে আরও পড়ুন- আইফোনে এবার ধামাকা অফার, একাধিক প্রিমিয়াম মডেলে বিরাট ছাড়ের বড় সুযোগ আরও পড়ুন- নতুন বছরে কতটা দামি হচ্ছে মোবাইল রিচার্জ প্ল্যানের দাম? জানলে মাথা ঘুরে যাবে আরও পড়ুন- আগামী এক বছর আর রিচার্জ নয়! বিরাট ঘোষণায় বাজারে সুনামি তুলল Jio, হ্যাপি নিউ ইয়ার প্ল্যানের বড় চমক
শাহী টার্গেটে দুই-তৃতীয়াংশ, ‘জেলার সব আসন আমরা জিতব’, আত্মবিশ্বাসী জ্যোতিপ্রিয়
উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ৩৩ টি আসনই জিতবে তৃণমূল, বললেন হাবড়ার বিধায়ক।
২০২৬-এ কতদিন বন্ধ থাকবে ব্যাঙ্ক, বাংলায় ছুটি কবে? রইল তালিকা
প্রতি মাসেই ছুটির কারণে একাধিক দিন বন্ধ থাকবে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা।
Bardhaman |ছেলেকে বিমানবন্দরে ছাড়তে যাচ্ছিলেন বাবা-মা! দুর্ঘটনায় মৃত্যু ৩ জনেরই
প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়, বর্ধমান: বছর শুরুর দিনে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনার বলি একই পরিবারের তিন সদস্য। মৃতরা সম্পর্কে বাবা, মা ও ছেলে। বৃহস্পতিবার বিকেলে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের শক্তিগড়ে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম শেখ মহম্মদ মুরশেদ (৫৫), রেজিনা খাতুন (৫১) ও শেখ শাহনওয়াজ (২৭)। এছাড়াও দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন তাঁদের গাড়ির চালক। তাঁর […] The post Bardhaman | ছেলেকে বিমানবন্দরে ছাড়তে যাচ্ছিলেন বাবা-মা! দুর্ঘটনায় মৃত্যু ৩ জনেরই appeared first on Uttarbanga Sambad .
শুনানির নামে হয়রানি, সন্নাসি-যৌনকর্মী ও আদিবাসি গোষ্ঠীদের নিয়ে বড় নির্দেশিকা কমিশনের
আদিবাসী, যৌন কর্মী এবং সন্নাসীদের এই ছাড় দিয়েছে কমিশন।
বর্ষবরণের আমেজে ঘরোয়া পার্টি? চটজলদি কাবাবেই হবে কেল্লাফতে, রইল রেসিপি
ওভেন ছাড়াই সহজে বাড়িতে ঝটপট কাবাব বানিয়ে তাক লাগান।
নতুন বছরে রাজ্য সরকারি কর্মীদের উপহার! আন্দামান বেড়াতে গেলে বিমান ভাড়া দেবে সরকার
‘লিভ ট্রাভেল কনশেসন’ বা ‘এলটিসি’ হিসাবে এই বিমান ভাড়া মেটাবে রাজ্য সরকার।
অঙ্কিত তিওয়ারির অনুষ্ঠানে ধুন্ধুমার! পানিহাটি উৎসবে ধাক্কাধাক্কির মাঝে গণধোলাইয়ে মৃত্যু যুবকের
তিনদিন ধরে হাসপাতালে লড়াইয়ের পর বছরের শেষদিনে মৃত্যু হয় ঘোলার বাসিন্দার।
শত্রুঘ্নর বর্ষবরণের ছবিতে নেই জাহির, সোনাক্ষীর বিয়ের বছর ঘুরলেও ভিনধর্মী জামাইকে মেনে নেননি?
পরিবারের অন্দরের মনোমালিন্য কি বাড়ল?
WBJDF-এর ট্রাস্টি বোর্ড থেকে ইস্তফা অনিকেত মাহাতোর, কোন কারণে হাত ছাড়লেন সহযোদ্ধাদেরই?
Aniket Mahato: সূত্র মারফত এও জানা যাচ্ছে, ট্রাস্ট ও কমিটির মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে বিরোধ শুরু হয়। আইনি পরামর্শ না মেনে কমিটি তৈরির অভিযোগ অনিকেতের। এই আবহেই বোর্ড অফ ট্রাস্টির সভাপতি হিসাবে নতুন যে বোর্ড তৈরি হচ্ছে সেখানে থাকা সদস্যদের সঙ্গে অনিকেতের মতবিরোধ প্রকাশ্যে চলে আসে।
Pan-aadhaar linking: নতুন বছর শুরু হতেই প্যান–আধার লিঙ্ক নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। অনেকেই জানতে চাইছেন, আদৌ কি এই লিঙ্কিংয়ের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে, নাকি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিঙ্ক না হলে প্যান কার্ড নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে। সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ফরোয়ার্ড হওয়া বার্তা এই বিভ্রান্তি আরও বাড়িয়ে তুলেছে। বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ প্যান–আধার লিঙ্কিং সরাসরি ব্যাংকিং পরিষেবা ও আয়কর সংক্রান্ত কাজের সঙ্গে জড়িত। সরকার বা আয়কর বিভাগের তরফে এখনও পর্যন্ত প্যান–আধার লিঙ্কিংয়ের সময়সীমা বাড়ানোর বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। অর্থাৎ, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যারা লিঙ্ক করেননি, তাঁদের প্যান কার্ড ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে নিষ্ক্রিয় বলে গণ্য হতে পারে। এমন প্যান কার্ড আর ব্যবহারযোগ্য থাকবে না। প্যান কার্ড নিষ্ক্রিয় হয়ে গেলে তার প্রভাব পড়তে পারে একাধিক ক্ষেত্রে। আয়কর রিটার্ন দাখিল করা যাবে না, বিভিন্ন বড় অঙ্কের ব্যাংক লেনদেন ব্যাহত হতে পারে এবং কিছু সরকারি পরিষেবার সুবিধাও বন্ধ হয়ে যেতে পারে। যেখানে যেখানে প্যান কার্ড বাধ্যতামূলক, সেখানে কাজ আটকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে নিজের প্যানের স্টেটাস জানতে খুব সহজেই তা যাচাই করা যায়। আয়কর বিভাগের ই-ফাইলিং পোর্টালে গিয়ে প্যান নম্বর, জন্ম তারিখ এবং রেজিস্টার মোবাইল নম্বরে পাঠানো ওটিপি ব্যবহার করে প্যানের স্ট্যাটাস চেক করা সম্ভব। সঠিক তথ্য দিলে স্ক্রিনেই জানা যাবে প্যান অ্যাকটিভ আছে কি না। যদি যাচাইয়ের সময় দেখা যায় যে প্যান কার্ডটি নিষ্ক্রিয় হয়ে গিয়েছে, তাহলে আতঙ্কিত হওয়ার কোন কারণ। নির্দিষ্ট লেট ফি দিয়ে এখনও প্যান–আধার লিঙ্ক করা যাবে। ফি জমা দেওয়ার পর লিঙ্ক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে প্যান কার্ড আবার সক্রিয় হবে। যদিও এতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। আয়কর বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, লেট ফি জমা ও লিঙ্কিং শেষ হওয়ার পর প্যান পুনরায় সক্রিয় হতে সাধারণত কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগে। তাই অযথা ঝামেলা এড়াতে যত দ্রুত সম্ভব প্যান–আধার লিঙ্কিং সম্পন্ন করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। আরও পড়ুন - নতুন বছরের প্রথম দিনেই সস্তা সোনা, কলকাতায় কতটা কমল হলুদ ধাতুর দর? আরও পড়ুন- রাজ্যের প্রথম মহিলা মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, বড় পদে 'বিদায়ী' মনোজ পন্থও আরও পড়ুন- পহেলগাঁও জঙ্গি হামলা থেকে আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা, ফিরে দেখা ২০২৫-এর দেশ-বিদেশের শীর্ষ সংবাদ আরও পড়ুন- ফেব্রুয়ারি থেকে বেড়ে যাচ্ছে সিগারেটের দাম! আইটিসি-গোডফ্রে শেয়ারে চাপে আরও পড়ুন- West Bengal news live updates: নতুন বছরের প্রথম দিনেই নবান্নে বড় চমক! বাংলার প্রথম মহিলা মুখ্য সচিব পদে নন্দিনী চক্রবর্তী আরও পড়ুন- আজ তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবস! ২৮ বছরে জোড়াফুল! ক্ষমতার পথে দলের দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা
Family First Zodiac Signs: মানুষের জীবনে পরিবার হল প্রথম আশ্রয়, প্রথম ভরসা এবং সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা। কর্মব্যস্ত জীবন, সামাজিক ব্যস্ততা কিংবা ব্যক্তিগত লক্ষ্য যতই থাকুক না কেন, দিনের শেষে অধিকাংশ মানুষই শান্তি খোঁজেন নিজের পরিবারের কাছেই ফেরেন। তবে জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী বলা হয়, সকল মানুষ সমানভাবে পরিবারকেন্দ্রিক হন না। রাশি অনুযায়ী মানুষের স্বভাব, আবেগ এবং দায়িত্ববোধে স্পষ্ট পার্থক্য দেখা যায়। সেই বিচারেই শাস্ত্রমতে এমন পাঁচটি রাশি রয়েছে, যাঁদের জীবনের কেন্দ্রবিন্দু হল পরিবার। এই রাশির মানুষেরা পরিবারের বাইরে খুব বেশি কিছু ভাবতেই পারেন না। তাঁদের সিদ্ধান্ত, পরিশ্রম, আনন্দ কিংবা দুঃখ সবকিছুর সঙ্গেই পরিবারের ছায়া জড়িয়ে থাকে। নিজের সুখের থেকেও তাঁরা স্বজনদের সুখকে বেশি গুরুত্ব দেন। পরিবারে কারও মুখে হাসি ফোটাতে পারলেই তাঁদের জীবনের সার্থকতা পূর্ণ হয়। বৃষ বৃষ রাশির জাতক-জাতিকারা পরিবারকে জীবনের ভিত্তি বলে মনে করেন। বহু প্রজন্ম ধরে চলে আসা পারিবারিক রীতি, মূল্যবোধ এবং ঐতিহ্যকে তাঁরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে মেনে চলেন। কোনও কাজ করার আগে তাঁরা ভাবেন, এতে তাঁদের পরিবারের কেউ কষ্ট পাবেন কি না। পরিবারের প্রয়োজন মেটানো, সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সংসারের ভার বহন করা তাঁদের স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্য। আর্থিক দিক থেকেও বৃষ রাশির মানুষরা পরিবারকে স্থিতিশীল রাখতে নিরলস পরিশ্রম করে যান। কর্কট কর্কট রাশির মানুষের জীবনে আবেগের গুরুত্ব অপরিসীম। এই আবেগই তাঁদের পরিবারকেন্দ্রিক করে তোলে। নিজের অনুভূতি দিয়ে তাঁরা পরিবারের সকল সদস্যকে এক সুতোয় বেঁধে রাখতে চান। বাড়ির কারও মন খারাপ হলে তা তাঁদের নিজের কষ্ট হয়ে ওঠে। বাইরের জগতে যতই ঝড় উঠুক না কেন, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটালেই কর্কট রাশির মানুষের মনে শান্তি ফিরে আসে। পরিবারের সদস্যদের মানসিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই তাঁদের জীবনের অন্যতম লক্ষ্য। কন্যা কন্যা রাশির জাতক-জাতিকারা দায়িত্ববোধের প্রতীক। পরিবারকে কেন্দ্র করে তাঁদের জীবন পরিকল্পিত এবং শৃঙ্খলাবদ্ধ। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তাঁরা পরিবারের সকলের কথা ভাবেন। নিজের কারণে যদি পরিবারের কারও অসুবিধা হয়, সেই ভাবনাই তাঁদের সবচেয়ে বেশি চিন্তায় ফেলে। সংসারের ছোটখাটো বিষয় থেকে শুরু করে বড় সিদ্ধান্ত পর্যন্ত সবকিছুতেই কন্যা রাশির মানুষরা নিঃশব্দে দায়িত্ব পালন করে যান। মকর মকর রাশির মানুষেরা পরিবারের অভিভাবকের ভূমিকা পালন করেন। জীবনের কঠিন পরিস্থিতিতে তাঁরাই ঢাল হয়ে দাঁড়ান। পরিবারের নিরাপত্তা, আর্থিক স্থিতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ভার নিজের কাঁধে তুলে নিতে তাঁরা কখনও পিছপা হন না। প্রয়োজনে নিজের আরাম, ইচ্ছা কিংবা আনন্দ বিসর্জন দিয়ে হলেও তাঁরা পরিবারের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেন। কঠোর পরিশ্রম আর আত্মসংযমই মকর রাশির মানুষের পরিবারের প্রতি ভালোবাসার সবচেয়ে বড় প্রমাণ। মীন মীন রাশির জাতক-জাতিকারা আবেগপ্রবণ এবং সহানুভূতিশীল হন। বাস্তব জগতের কঠোরতা তাঁদের পছন্দ না হলেও পরিবারের দায়িত্ব তাঁরা কখনও অবহেলা করেন না। বাড়ির বয়োজ্যেষ্ঠদের যত্ন নেওয়া, তাঁদের প্রয়োজন বোঝা এবং মানসিকভাবে পাশে থাকা মীন রাশির মানুষের স্বভাবেই রয়েছে। পরিবারের সঙ্গে আলোচনা না করে তাঁরা কোনও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না। এই পাঁচ রাশির মানুষের ক্ষেত্রে পরিবার কোনও দায়িত্ব নয়, বরং অনুভূতির জায়গা। তাঁরা বিশ্বাস করেন, পরিবার ভালো থাকলেই জীবন সুন্দর হয়। নিজের স্বপ্ন পূরণের থেকেও তাঁদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ পরিবারের সুখ ও শান্তি। তাই শাস্ত্রমতে এই রাশির মানুষদের পরিবারপ্রেমী বলা হয়ে থাকে।
ঢিমে চলছে ‘পৃথিবীর গাড়ি’, ২৫ ঘণ্টায় হবে একদিন! নতুন বছরে জানিয়ে দিলেন বিজ্ঞানীরা
এর নেপথ্যে নাকি চাঁদের কারসাজি!
SIR in Bengal: ৭৭ হাজার BLA! এদিকে তৃণমূলের অভিযোগ মাত্র ৩টি
Election Commission on SIR: কখনও হুঁশিয়ারি দিয়ে নাম বাদ গেলে 'রক্ত-গঙ্গা' বয়ানোর। কিন্তু বাস্তবে তেমন কিছুই ঘটেনি। এখনও পর্যন্ত চলা এসআইআর পর্বের সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা করেছে রাজ্য়ের শাসক শিবির। কিন্তু লিখিত অভিযোগ দেওয়ার বেলায় খোঁজ নেই তাঁদের।
বর্ষবরণের রাতে বিরাট চাঞ্চল্য, উদ্ধার যুবকের ক্ষতবিক্ষত দেহ, পরিবারের হাড়হিম করা অভিযোগ
বর্ষবরণের গভীর রাতে ইংরেজবাজার শহরের ব্যস্তবহুল এলাকা আইটিআই মোড় থেকে উদ্ধার হল এক যুবকের দেহ। বুধবার মধ্যরাতের এই ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সকালে মৃত যুবকের পরিবার তাঁদের বাড়ির ছেলেকে খুন করা হয়েছে বলে ইংরেজবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, বুধবার বর্ষবরণের রাতে বন্ধুদের সাথে পিকনিক করবে বলে সাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে ছিল নব রঞ্জন মন্ডল (৩০) । এরপর বৃহস্পতিবার বছরের প্রথম দিনই রথবাড়ি ফাঁড়ির পুলিশের মারফত নবরঞ্জনের দেহ উদ্ধারের কথা জানা যায়। মৃতদেহের শরীরে বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাতেই অনুমান , কেউ বা কারা ওকে খুন করে রাস্তার ধারে ফেলে পালিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, আশেপাশের এলাকার সিসিটিভির ফুটেজ খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম নবরঞ্জন মন্ডল (৩০) । তার বাড়ি ইংরেজবাজার শহরের ওয়ার্ডের জাহাজফিল্ড এলাকায় । নবরঞ্জন শহরের রথবাড়ি এলাকার একটি হার্ডওয়ারের দোকানের কর্মী ছিলেন। বর্ষবরণ রাতে সাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে পিকনিকের নাম করে বেরিয়েছিল সে। এরপরেই আইটিআই মোড়ের কাছে রাস্তার ধারে দেহ উদ্ধার হয় ওই যুবকের। মৃতের এক দাদা হিমাংশু মন্ডল জানিয়েছেন, এদিন কাজ থেকে ফিরে ভাই সন্ধ্যাবেলা সাইকেল নিয়ে বেরিয়েছিল বন্ধুদের সঙ্গে পিকনিক করবে বলে। ওর মানিব্যাগে সবসময় আধার কার্ড, ভোটার , কার্ড প্যান কার্ড থাকতো। কিন্তু এদিন সকালে পুলিশ মারফত জানতে পারি, আমাদের এলাকার জনৈক ব্যক্তি শ্রীচরণ মন্ডল ভোরে কাজে যাওয়ার সময় রাস্তার ধারে আমার ভাইয়ের দেহ পড়ে থাকতে দেখে । এরপরই রথবাড়ি ফাঁড়ির পুলিশকে উনি খবর দেন। শহরের ব্যস্তবহুল একটা এলাকায় বর্ষবরণের রাতে আমার ভাইকে কে বা কারা মেরে ফেললো সেটা পুলিশের নজরে এলো না, তা ভাবতেই অবাক লাগছে। এই এলাকার আশেপাশে সিসি ক্যামেরায় মোড়া রয়েছে। আমাদের দাবি সেই সিসিটিভির ফুটেজ দেখেই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হোক। কারণ, ভাইয়ের গোটা শরীরে আঘাতে চিহ্ন রয়েছে। ওকে খুন করেছে দুষ্কৃতীরা। কিন্তু খুনের কারণ সম্পর্কে আমরা এখন ও কিছু বুঝে উঠতে পারছি না। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানতে পেরেছে, মনোরঞ্জনের সঙ্গে দীর্ঘদিন আগেই মানিকচক থানা এলাকার বাসিন্দা রুমি মন্ডলের বিয়ে হয়। তাঁদের পাঁচ বছরের এক নাবালিকা কন্যা সন্তান রয়েছে। কিন্তু পারিবারিক অশান্তির কারণে রুমি মন্ডল মানিকচকের মথুরাপুরে তার বাবার বাড়িতে গত দেড় বছর ধরে থাকতো। এখানেও কারোর কোনও হাত রয়েছে কিনা সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে যে এলাকায় দেহ উদ্ধার হয়েছে তার আশেপাশে অনেক সিসি ক্যামেরা রয়েছে। সেগুলি থেকে ফুটেজ সংগ্রহ করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। এদিকে বুধবার বর্ষবরণের রাতে উপচে পড়লো বিভিন্ন এলাকার রেস্তোরাঁ ও হোটেলে মানুষের ঢল। ইংরেজবাজার শহরের বিভিন্ন এলাকায় বর্ষবরণ উৎসবকে ঘিরে যেন মানুষের ঢল নেমেছিল। অনেকের মতে দুর্গা পূজার অষ্টমী এবং নবমীর ভিড়কেও যেন ছাপিয়ে গিয়েছে এদিনের বর্ষবরণ রাতে শহরের মানুষের ভিড়। ইংরেজবাজার পুরসভার উদ্যোগে শহরের বিবেকানন্দ যুব আবাস সংলগ্ন মাঠে গত এক সপ্তাহ ধরে চলছে কার্নিভাল উৎসব। সেখানেও প্রতিদিনই প্রচুর মানুষের ঢল নামছে, মালদার পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন কার্নিভাল উৎসব সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত করতে জেলা পুলিশ ও প্রশাসন সবরকম প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়েছে। আরও পড়ুন- ফেব্রুয়ারি থেকে বেড়ে যাচ্ছে সিগারেটের দাম! আইটিসি-গোডফ্রে শেয়ারে চাপে আরও পড়ুন- West Bengal news live updates: নতুন বছরের প্রথম দিনেই নবান্নে বড় চমক! বাংলার প্রথম মহিলা মুখ্য সচিব পদে নন্দিনী চক্রবর্তী আরও পড়ুন- আজ তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবস! ২৮ বছরে জোড়াফুল! ক্ষমতার পথে দলের দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা
Chalsa |চালসায় চলন্ত বাইকে চিতাবাঘের হানা, লাথি মেরে ‘যমদূত’কে তাড়ালেন চালক!
চালসা: ডুয়ার্সের চা বাগানের রাস্তায় মাঝেমধ্যেই বন্যপ্রাণীর দেখা মেলে, কিন্তু বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় যা ঘটল তা কোনো রোমাঞ্চকর সিনেমার চেয়ে কম কিছু নয়। চলন্ত বাইকে ঝাঁপিয়ে পড়ল পূর্ণবয়স্ক এক চিতাবাঘ। চা বাগানের নিস্তব্ধ রাস্তায় চিতাবাঘের মরণকামড় থেকে শেষমেশ সাহসিকতার জোরে প্রাণে বাঁচলেন পেশায় সেলুন ব্যবসায়ী সঞ্জয় ঠাকুর। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বড়দিঘি চা বাগান থেকে বাতাবাড়ি ফার্ম বাজারের […] The post Chalsa | চালসায় চলন্ত বাইকে চিতাবাঘের হানা, লাথি মেরে ‘যমদূত’কে তাড়ালেন চালক! appeared first on Uttarbanga Sambad .
বাংলার বুকে ‘ওড়িয়া গ্রাম’, ভাষার গেরোয় এসআইআর শুনানি, উঠছে দোভাষীর দাবি
এরকম সমস্যায় পড়তে হবে তা আঁচ করতে পারেনি কমিশন।
ক্ষুদিরাম-সংলাপ বিতর্কের মাঝেই ‘দামামা’বাজালেন রাজ, গানেই ‘হোক কলরব’!
গানের ঝলকে কী দেখালেন পরিচালক?
বছর শুরুর দিনেই ভয়াবহ দুর্ঘটনা, মৃত্যু বাবা, মা, ছেলের
বছর শুরুর দিনেই ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাল একই পরিবারের তিন সদস্য। মৃতরা সম্পর্কে বাবা, মা ও ছেলে। বৃহস্পতিবার বিকেলে পূর্ব বর্ধমানের শক্তিগড় এলাকায় ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনায় মৃতরা হলেন শেখ মহম্মদ মুরশেদ (৫৫), তাঁর স্ত্রী রেজিনা খাতুন (৫১) এবং তাঁদের ছেলে শেখ শাহানাওয়াজ (২৭)। দুর্ঘটনার সময় চারচাকা গাড়িটি চালাচ্ছিলেন মুন্সি নামে এক ব্যক্তি। তিনি গুরুতর জখম হন। মৃত ও আহত সকলের বাড়ি পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুর সিটি সেন্টার এলাকায় বলে জানিয়েছে পুলিশ। আরও পড়ুন- ফেব্রুয়ারি থেকে বেড়ে যাচ্ছে সিগারেটের দাম! আইটিসি-গোডফ্রে শেয়ারে চাপে আরও পড়ুন- West Bengal news live updates: নতুন বছরের প্রথম দিনেই নবান্নে বড় চমক! বাংলার প্রথম মহিলা মুখ্য সচিব পদে নন্দিনী চক্রবর্তী পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেল প্রায় ৪টা নাগাদ শক্তিগড়ের ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কে চারচাকা গাড়িটি সামনে থাকা একটি ট্যাঙ্কারের পিছনে সজোরে ধাক্কা মারে। প্রবল ধাক্কায় গাড়িটি সম্পূর্ণ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় শেখ শাহানাওয়াজ, তাঁর বাবা মহম্মদ মুরশেদ এবং মা রেজিনা খাতুনের। জানা গিয়েছে, শেখ শাহানাওয়াজ মুম্বইয়ের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। এদিন রাতে তাঁর মুম্বই যাওয়ার কথা ছিল বিমানে। সেই কারণে ছেলেকে দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছে দিতে বাবা-মা তাঁর সঙ্গে চারচাকা গাড়িতে করে রওনা দেন। কিন্তু মাঝপথেই ঘটে যায় এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা। আরও পড়ুন- আজ তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবস! ২৮ বছরে জোড়াফুল! ক্ষমতার পথে দলের দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হন গাড়ির চালক মুন্সি। তাঁকে উদ্ধার করে পুলিশ চিকিৎসার জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। পুলিশ দুর্ঘটনাস্থল থেকে ক্ষতিগ্রস্ত চারচাকা গাড়ি ও ট্যাঙ্কারটি আটক করেছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ খতিয়ে দেখছে, গাড়ি চালানোর সময় চালক ঘুমিয়ে পড়েছিলেন কি না, নাকি কোনও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। মৃতদেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনার জেরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আরও পড়ুন- রাজ্যের প্রথম মহিলা মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, বড় পদে 'বিদায়ী' মনোজ পন্থও আরও পড়ুন- পহেলগাঁও জঙ্গি হামলা থেকে আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা, ফিরে দেখা ২০২৫-এর দেশ-বিদেশের শীর্ষ সংবাদ
Bangladesh Update: বেছে বেছে হিন্দুদের উৎসবে ‘ছুটি বাতিল’ করলেন ইউনূস?
Bangladesh's Bhasha Diwas: বাংলাদেশে তুমুলে ছুটি বিতর্ক। বাধ সাঁধল ইউনূস সরকার। প্রথামাফিক ২০২৫ সালের শেষে নতুন বছরের ছুটির তালিকা প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। যা ঘিরে মহা-বিতর্ক। বাতিল হয়েছে হিন্দুদের সকল উৎসব-অনুষ্ঠানের সরকারি ছুটি। বাতিল হয়েছে মাতৃভাষা দিবসের ছুটিও।
সাজার মেয়াদ শেষেও পাক জেলে ‘পচছেন’১৬৭ জন ভারতীয়! দ্রুত ফেরত পাঠাতে বলল মোদি সরকার
এ নিয়ে ২০০৮ সালে চুক্তি হয়েছিল ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে।
দশ বছরের বালকের নাম ‘বেবি উবের’! ভাইরাল পোস্টে ফিরল দশক পেরনো স্মৃতির ঝলক
সোশাল মিডিয়ায় আবেগঘন পোস্ট উবেরের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ট্র্যাভিস কালানিকের।
Winter Weather: শনিবারের মধ্যেই বরফ পড়বে! বলছে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস
Winter Weather Update: তুষারপাতের পাশাপাশি আজ বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের চার জেলা— দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে শীতল হাওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি হয়েছে।
‘যে কোনও দরকারে ছাত্রছাত্রীদের পাশে থাকব’, স্টুডেন্টস উইকে শুভেচ্ছাবার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে রাজ্য সরকারে প্রকল্পগুলি এখন সারা দেশে মডেল।
Election in Bangladesh: ইউনূসের ভোটমুখী বাংলাদেশ পেল ২৬,০০,০০,০০,০০০ টাকা! কারা পাঠাল?
Bangladesh Update: অবশ্য রাজনৈতিক মহল এই রেমিট্য়ান্সকে সহজ ভাবে দেখছে না। বিশেষ করে নির্বাচনী আবহে বিপুল রেমিট্যান্স কোথাও গিয়ে তুলে ধরেছে নানা প্রশ্ন। ঘুরপথে ভোট করানো টাকা ঢুকছে না তো? প্রশ্ন একাংশের।
উত্তর সিকিমে বেড়াতে গিয়ে বিপত্তি! তুষারপাতে আটকে শিশু-সহ আলিপুরদুয়ায়ের ৬ পর্যটক
'কোনওরকমে প্রাণ বাঁচিয়েছি', বলছেন পর্যটকরা।
ঋণ শোধ হচ্ছে না? জ্যোতিষ মতে এই দিনে নিন ধার, কাটবে আর্থিক সংকট
জ্যোতিষীদের মতে, গ্রহের অবস্থান ও বারভেদে লেনদেন করলে অর্থসংকট হয় না।
হরিশ্চন্দ্রপুর: তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে বছরের প্রথম দিনে দুস্থদের হাতে কম্বল তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু সেই মানবিক উদ্যোগই শেষমেশ রূপ নিল চরম বিশৃঙ্খলায়। হুড়োহুড়ি, ধাক্কাধাক্কি আর ভিড়ের চাপে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হল মালদহ জেলার হরিশ্চন্দ্রপুরের (Harishchandrapur) তুলসিহাটা হাই স্কুল মাঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শেষ পর্যন্ত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে হয় বিশাল পুলিশ বাহিনীকে। […] The post Harishchandrapur | পদপিষ্টের উপক্রম! কম্বল নিতে কাড়াকাড়ি, তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে বিপত্তি appeared first on Uttarbanga Sambad .
আমেরিকানকে বিয়ে করলেই মিলবে না গ্রিন কার্ড! সতর্ক করছেন আইনজীবী
ট্রাম্পের আমলে বদলে গিয়েছে পুরো ছবিটা!
ঢাকায় পাকিস্তানের স্পিকারের সঙ্গে করমর্দন জয়শঙ্করের, কেন এই দ্বিচারিতা?” প্রশ্ন কংগ্রেসের
ঢাকায় পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর। এই বৈঠককে ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। কংগ্রেস এই সাক্ষাতের কড়া সমালোচনা করেছে। বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শেষকৃত্যে যোগ দিতে ঢাকায় গিয়েছিলেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর, সেই সফরকালেই জয়শঙ্করের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ হয় সাদিকের। ভারত–পাকিস্তান সম্পর্ক গত বছরের এপ্রিলে পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পর থেকে তলানিতে ঠেকেছে। ওই হামলার পর ভারত পাকিস্তানের সঙ্গে সব রকমের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে এবং মে মাসে দুই দেশের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়। সেই সময়ের পর এই প্রথমবার দুই দেশের শীর্ষ স্তরের নেতাদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ হল বলে জানিয়েছে পাকিস্তান। আরও পড়ুন- রাজ্যের প্রথম মহিলা মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, বড় পদে 'বিদায়ী' মনোজ পন্থও আরও পড়ুন- পহেলগাঁও জঙ্গি হামলা থেকে আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা, ফিরে দেখা ২০২৫-এর দেশ-বিদেশের শীর্ষ সংবাদ আরও পড়ুন- শীত হোক বা উইকেন্ড, কলকাতার কাছে 'সেরার সেরা' এই ৫ পিকনিক স্পট মিস করবেন না বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর সম্প্রতি ঢাকায় প্রয়াত হন। তাঁর শেষকৃত্যে যোগ দিতে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করতে ঢাকায় যান বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর। শেষকৃত্যের পাশাপাশি ঢাকায় পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিকের সঙ্গে তাঁর সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎ হয়। পাকিস্তান জানিয়েছে মে মাসের সংঘাতের পর দুই দেশের মধ্যে “প্রথম উল্লেখযোগ্য উচ্চ-স্তরের যোগাযোগ” বলে বর্ণনা করেছে। এই সাক্ষাৎ নিয়ে কংগ্রেস তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। দলের জাতীয় মুখপাত্র শামা মোহাম্মদ প্রশ্ন তুলেছেন, সীমান্তে সন্ত্রাসবাদ যখন অব্যাহত, তখন কেন একজন পাকিস্তানি নেতার সঙ্গে বৈঠক করছেন বিদেশমন্ত্রী। তাঁর প্রশ্ন, “একদিকে দেশে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কড়া বক্তব্য, অন্যদিকে তাদের দেশের নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ এই দ্বিচারিতা কেন?” এদিকে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস দুই নেতার বৈঠকের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন। তাঁর দপ্তরের তরফে ‘এক্স’-এ জানানো হয়েছে, খালেদা জিয়ার শেষকৃত্য অনুষ্ঠানের আগে ঢাকায় পাকিস্তানের স্পিকার আয়াজ সাদিক ভারতীয় বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্করের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং করমর্দন করেন। পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ সচিবালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, খালেদা জিয়ার শেষকৃত্যে বাংলাদেশে পাকিস্তানের প্রতিনিধি ও ভারতের বিদেশমন্ত্রীর মধ্যে সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, মে ২০২৫-এ সংঘাত শুরুর পর এই কথোপকথনই ছিল ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে প্রথম গুরুত্বপূর্ণ উচ্চ-পর্যায়ের যোগাযোগ। উল্লেখ্য, ঢাকায় সফরকালে বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমানের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। ওই বৈঠকে তিনি খালেদা জিয়ার প্রয়াণে ভারতের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করেন। আরও পড়ুন- ফেব্রুয়ারি থেকে বেড়ে যাচ্ছে সিগারেটের দাম! আইটিসি-গোডফ্রে শেয়ারে চাপে আরও পড়ুন- West Bengal news live updates: নতুন বছরের প্রথম দিনেই নবান্নে বড় চমক! বাংলার প্রথম মহিলা মুখ্য সচিব পদে নন্দিনী চক্রবর্তী আরও পড়ুন- আজ তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবস! ২৮ বছরে জোড়াফুল! ক্ষমতার পথে দলের দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা
বছরের শুরুতেও কাটল না আইএসএল জট, ফেডারেশনের প্রস্তাবে রাজি নয় ক্লাবগুলি
ক্লাবগুলি একযোগে চিঠিতে কী জানিয়েছে?
বর্ষবরণের রাতে অন্য মহিলার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়ে সেলফি! অঙ্কুশের কাণ্ডে রেগে কাঁই ঐন্দ্রিলা
অঙ্কুশের সঙ্গে কী করলেন ঐন্দ্রিলা?
নতুন বছরে জীবসেবা! পিকনিকের টাকায় পথকুকুরদের খাইয়ে ‘হিরো’তেহট্টের ২ বন্ধু
এলাকার সমস্ত জায়গায় খুঁজে খুঁজে পথ কুকুরদের কলাপাতায় সাজিয়ে খেতে দেন ওই দুই বন্ধু।
SIR in Bengal: নথি দেখালে ভাল, তবে না দেখালেও চলবে! SIR-র মাঝে বড় ঘোষণা কমিশনের
West Bengal SIR: খসড়া তালিকা প্রকাশিত হয়ে গিয়েছে। রাজ্যজুড়ে শুনানি চলছে। এই আবহেই যৌনকর্মী ও রূপান্তরকামীদের দাবিতে সিলমোহর দিল নির্বাচন কমিশন। যৌন কর্মীদের ক্ষেত্রে নথি দেখালেও চলবে, না দেখালেও চলবে। রূপান্তরকামীদের ক্ষেত্রে 'গুরু মা'দের গুরুত্ব দেওয়া হবে।
Kumarganj |৮০ পেরিয়েও অস্তিত্বের লড়াই! এসআইআর হেয়ারিংয়ে বৃদ্ধের হয়রানির অভিযোগ কুমারগঞ্জে
বিশ্বজিৎ প্রামাণিক, কুমারগঞ্জ: বয়স আশি পেরিয়েছে। লাঠি হাতে শরীর ঝুঁকেছে ঠিকই, কিন্তু নিজের অস্তিত্ব আর অধিকার প্রমাণের লড়াইয়ে আজ তিনি বড়ই ক্লান্ত। কিশোর বয়সে ঘর ছেড়ে বৃন্দাবনে চলে যাওয়া পামোর বর্মন, আজ নিজের জেলাতেই ‘কাগজের গেঁরোয়’ দিশেহারা। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুমারগঞ্জ ব্লকের গোপালগঞ্জ বিডিও অফিসে এসআইআর (SIR) হেয়ারিংকে কেন্দ্র করে পামোর বর্মনের এই ভোগান্তির ছবি […] The post Kumarganj | ৮০ পেরিয়েও অস্তিত্বের লড়াই! এসআইআর হেয়ারিংয়ে বৃদ্ধের হয়রানির অভিযোগ কুমারগঞ্জে appeared first on Uttarbanga Sambad .
৩ মাস পর খুলল দার্জিলিংগামী রোহিনী রোড, দ্রুত পাহাড়ে পৌঁছবেন পর্যটকরা, খুশি ব্যবসায়ীরাও
৪ অক্টোবর রাতে ভারী বৃষ্টির জেরে ভূমিধসে বিধ্বস্ত হয় সড়কটি।
চব্বিশের ব্রিগেডের মঞ্চসজ্জা বারুইপুরে, ক্রস র্যাম্প ধরে জনতার ভিড়ে মিশবেন অভিষেক
গোটা মাস ধরে অভিষেকের প্রতিটি জনসভাতেই মঞ্চ হবে এমনই।
পিকনিক নিয়ে বচসার জের, অর্জুনগড়ে আক্রান্ত বিজেপি কর্মী! ভাঙচুর চলল বাড়িতেও
পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বিজেপি নেতারা।
Dilip Ghosh: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বিজেপির সাংসদ, বিধায়ক ও সাংগঠনিক নেতৃত্বের বৈঠকের ঠিক পরদিনই রাজ্য বিজেপি কার্যালয়ে বর্তমান রাজ্য সভাপতি শমিক ভট্টাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রাক্তন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের। তবে কি বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ফের সক্রিয় হতে চলেছেন দিলীপ ঘোষ? বঙ্গ রাজনীতিতে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বৃহস্পতিবার সল্টলেকের বিজেপি দফতরে শমিক ভট্টাচার্যের সঙ্গে দীর্ঘ এক ঘন্টার বেশি সময় বৈঠক করেন বর্ষীয়াণ বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে নিজের দীর্ঘদিনের মেদিনীপুর কেন্দ্র ছেড়ে বর্ধমান-দুর্গাপুর থেকে প্রার্থী হয়ে পরাজিত হওয়ার পর, গত কয়েক মাস ধরে রাজ্য রাজনীতির ময়দান থেকে কিছুটা নিজেকে সরিয়ে রেখেছিলেন দিলীপ ঘোষ। তবে আসন্ন ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য্যের তাঁর এই সাক্ষাৎ রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা উসকে দিয়েছে। অনেকেরই ধারণা, রাজ্যে বিজেপির সংগঠন মজবুত করতে আবারও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারেন দিলীপ ঘোষ। এর আগে বুধবার সল্টলেকের একটি হোটেলে দলের সাংগঠনিক বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অমিত শাহ। ওই বৈঠকে বিজেপির সাংসদ, বিধায়ক, প্রাক্তন সাংসদ ও প্রাক্তন বিধায়কেরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের পর সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ একটি পোস্টে দিলীপ ঘোষ লেখেন, “২০২৬ সালের বাংলা বিধানসভা নির্বাচন ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি আরও দাবি করেন, “গত নির্বাচনে আমাদের লড়াই বাংলার মানুষের কাছে বিজেপিকে প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে। আজ বাংলার মানুষ পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত।” উল্লেখ্য, দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বেই রাজ্যে বিজেপির সাংগঠনিক শক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছিল। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে যেখানে বিজেপির আসন সংখ্যা ছিল মাত্র দুটি, ২০১৯ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৮টি। একইভাবে, ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনটি আসন থেকে ২০২১ সালে বিজেপি পায় ৭৭টি আসন, যখন তিনি রাজ্য সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। এদিন এক সংবাদ সম্মেলনে দিলীপ ঘোষ বলেন, “অমিত শাহ বলেছেন, পুরোপুরি কাজে লাগতে হবে।” অপর দিকে রাজ্য বিজেপি সভাপতির কথায়, দিলীপ ঘোষকে মাঠ জুড়ে খেলানো হবে। দলীয় সূত্র জানাচ্ছে, বৃহস্পতিবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিট নাগাদ দিলীপ ঘোষ সল্টলেকের বিজেপি দফতরে পৌঁছান এবং রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। নিজের নতুন ভূমিকা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে দিলীপ ঘোষ বলেন, “আমি সবসময়ই দলের সঙ্গে ছিলাম। কোনও পদে না থাকলেও দল যে দায়িত্ব দেবে, সেভাবেই কাজ করব।” উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে নিজের জয়ী কেন্দ্র মেদিনীপুর ছেড়ে বর্ধমান–দুর্গাপুর আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হওয়ার পর গত কয়েক মাস ধরে রাজ্যে বিজেপির সামনের সারির রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে অনেকটাই দূরে ছিলেন দিলীপ ঘোষ। এমন পরিস্থিতিতে সল্টলেকের বিজেপি রাজ্য দফতরে শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে তাঁর এই বৈঠককে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। বিশেষ করে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্যে বিজেপির ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় দিলীপ ঘোষকে আবারও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা যেতে পারে এমন জল্পনাই এই সাক্ষাতের পর নতুন করে জোরদার হয়েছে। আগামী ১৩ জানুয়ারি, দুর্গাপুরে বর্তমান রাজ্য সভাপতি একসঙ্গে রাজনৈতিক সভা করবেন দিলীপ। দিলীপের ফের সক্রিয় রাজনীতিতে ফেরা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টচার্য বলেন, “তিনি বাড়িতে বসে থাকার লোক নয়।” প্রাক্তন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ স্পষ্ট করে জানালেন, জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচনী লড়াইয়ের গুরুত্ব তাঁর কাছে সবচেয়ে বেশি। তিনি বলেন, মানুষের হয়ে সরাসরি লড়াই করাই এখন প্রধান লক্ষ্য। খড়গপুরের সঙ্গে তাঁর আবেগ জড়িত বলেও উল্লেখ করেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর কথায়, খড়গপুরই তাঁর পছন্দের কেন্দ্র এবং সেখান থেকেই তিনি ভোটে লড়তে চান। আরও পড়ুন- ফেব্রুয়ারি থেকে বেড়ে যাচ্ছে সিগারেটের দাম! আইটিসি-গোডফ্রে শেয়ারে চাপে আরও পড়ুন- West Bengal news live updates: নতুন বছরের প্রথম দিনেই নবান্নে বড় চমক! বাংলার প্রথম মহিলা মুখ্য সচিব পদে নন্দিনী চক্রবর্তী আরও পড়ুন- আজ তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবস! ২৮ বছরে জোড়াফুল! ক্ষমতার পথে দলের দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা
Firhad Hakim: সিরাজদৌল্লার সঙ্গেও ছিল… এখনও আছে: ফিরহাদ
ভোট এগিয়ে আসতেই জনসভায় নেতারা সরব হচ্ছেন। শাসক-বিরোধী তরজাও সামনে আসছে। এবার নাম না করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে কটাক্ষ ফিরহাদ হাকিমের। এক সভা থেকে ফিরহাদ হাকিম বলেন, 'মীরজাফর আগেও ছিল। সিরাজদৌল্লার সঙ্গেও ছিল। কংগ্রেস রাজনীতিতে আমাদের সঙ্গেও ছিল। আজও আছে।'
বিচ্ছেদ জল্পনায় ফের জল ঢেলে নিউ ইয়র্কে নতুন বছরে ছুটির মেজাজে অভিষেক-ঐশ্বর্য, ভাইরাল ছবি
বিদেশে নতুন বছরের আবহে ছুটি কাটাতে গিয়েছেন অভিষেক ও ঐশ্বর্য।
উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: চরম কূটনৈতিক টানাপড়েন এবং গত বছরের সামরিক সংঘাতের রেশ বজায় থাকলেও, তিন দশকের পুরনো প্রথা ভাঙল না ভারত ও পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার ইংরেজি নববর্ষের প্রথম দিনে দুই প্রতিবেশী দেশ নিজেদের পরমাণু স্থাপনার তালিকা (Nuclear Installations List) বিনিময় করেছে। একই সঙ্গে দুই দেশের হেপাজতে থাকা বন্দি ও মৎস্যজীবীদের তালিকাও কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে একে […] The post Nuclear Installations List | তলানিতে সম্পর্ক, তবুও…! পরমাণু স্থাপনা ও বন্দি তালিকা বিনিময় করল ভারত-পাকিস্তান appeared first on Uttarbanga Sambad .
দুবাই সফরের মাঝেই দুঃসংবাদ! কাছের মানুষকে হারিয়ে শোকে ম্যুহমান অর্জুন বিজলানি
নতুন বছরের ঠিক শুরুতেই গভীর শোকের ছায়া নেমে এল অভিনেতা অর্জুন বিজলানি ও তাঁর পরিবারে। শ্বশুর রাকেশ চন্দ্র স্বামীর, আকস্মিক প্রয়াণে উৎসবের আনন্দ মুহূর্তেই বিষাদে রূপ নেয়। নতুন বছরের ছুটি কাটাতে স্ত্রী নেহা বিজলানির সঙ্গে দুবাইয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলাকালীনই এই দুঃসংবাদ পান অর্জুন। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যা থেকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ভেন্টিলেটরে ছিলেন রাকেশ চন্দ্র স্বামী। চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা সত্ত্বেও বৃহস্পতিবার সকালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। স্ত্রী ও সন্তান নিশাঙ্ক এবং নেহাকে রেখে গেছেন তিনি। Bengali Cinema 2026: উইন্ডোজের ২৫ বছর, দেব-জিৎ-প্রসেনজিৎ থেকে মিমি! ২০২৬-এ জমজমাট বাংলা সিনেমা হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পরিবারের এক সদস্য জানান, রাকেশ চন্দ্র স্বামী সম্পূর্ণ সুস্থই ছিলেন এবং রাতের খাবারের সময়, সেই সময়ই হঠাৎ স্ট্রোক করেন। তাঁকে দ্রুত বেলভিউ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং ভেন্টিলেটরে রাখা হয়। পরিবারের প্রত্যেকেই এই ঘটনায় হতবাক, বিশেষ করে নেহা ও অর্জুন। কারণ তাঁরা ঘুরতে যাওয়ার কিছুক্ষণ আগেই পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। এমন আকস্মিক ক্ষতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া তাঁদের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে উঠেছে। এই মর্মান্তিক খবর পাওয়ার পরই অর্জুন ও নেহা তাঁদের বিদেশযাত্রা সংক্ষিপ্ত করে মঙ্গলবার মুম্বইয়ে ফিরে আসেন, যাতে এই কঠিন সময়ে পরিবারের পাশে থাকতে পারেন। ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে জানা যায়, অর্জুনের সঙ্গে তাঁর শ্বশুরের সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত গভীর ও আবেগপূর্ণ। অল্প বয়সে, নিজের বাবাকে হারানোর প্ রাকেশ চন্দ্র স্বামী তাঁর জীবনে এক গুরুত্বপূর্ণ অভিভাবক ও মানসিক ভরসার জায়গা হয়ে উঠেছিলেন। সেই কারণেই এই ক্ষতি অর্জুনের কাছে অত্যন্ত ব্যক্তিগত ও হৃদয়বিদারক। Ikkis movie review: ভারত-পাক যুদ্ধের আড়ালে মানবিক ক্ষতির দলিল ‘ইক্কিস’, পড়ুন রিভিউ? শেষকৃত্যের কিছু ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে বাবাকে শেষ বিদায় জানানোর সময় নেহাকে ভেঙে পড়তে দেখা যায়। সেই দৃশ্যগুলি দেখে অনুরাগী ও টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রির বহু সহকর্মী বিজলানি পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন।
‘সেকুলার’, নতুন বছরে আমরা যেন এই শব্দের মর্যাদা রাখতে পারি
অপপ্রয়োগ বা অব্যবহারে যেন মলিন না হয় শব্দ।
Bangladesh on Jaishankar's Visit: বর্তমানে বাংলাদেশে নির্বাচিত সরকার নেই। এই আবহে তারেকের সঙ্গে আলাপ, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের সঙ্গে মৌখিক বার্তালাপ, কোন চোখে দেখছে ঢাকা? বৃহস্পতিবার এই প্রশ্নই করা হয়েছিল বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মহম্মদ তৌহিদ হোসেনকে।
এনজোর সম্পর্ক ছিন্ন করল চেলসি, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বেই কি চাকরি গেল হেডকোচের?
ইংলিশ ক্লাবের তরফে এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে কোচের বিদায়বার্তা দেওয়া হয়েছে।
Toxic people to avoid: নতুন বছরে এই ৫ ধরনের মানুষ থেকে দূরে থাকুন, না হলে পিছিয়ে পড়বেন!
Toxic people to avoid: নতুন বছর মানেই এক নতুন আশা, নতুন লক্ষ্য এবং নিজের জীবনকে আরও ভালোভাবে গুছিয়ে নেওয়ার বিস্তর সুযোগ। অনেকেই নতুন বছরে কাজ, স্বাস্থ্য কিংবা আর্থিক পরিকল্পনা নিয়ে ভেবে থাকেন। কিন্তু, একটি বিষয় প্রায়শই উপেক্ষিত থেকে যায় এই ভাবনায়, তা হল সম্পর্ক। আমাদের চারপাশে থাকা মানুষগুলিই অনেক সময় দেখা যায় যে, আমাদের এগিয়ে যাওয়া বা পিছিয়ে পড়ার মূল কারণ হয়ে দাঁড়ান। তাই নতুন বছরে নিজের উন্নতির কথা ভাবলে কিছু মানুষের থেকে আমাদের সচেতনভাবেই দূরে থাকা অত্যন্ত জরুরি। আসলে কিছু মানুষ আছেন, যাঁরা সবসময় নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বাঁচেন। যে কোনও ভালো খবরেও তাঁরা সমস্যা খুঁজে বের করতে ওস্তাদ। আপনি যদি নতুন কোনও পরিকল্পনার কথা বলেন, সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা তার ব্যর্থতার দিকটি আপনার সামনে তুলে ধরবেন। দীর্ঘদিন এই ধরনের মানুষের সঙ্গে থাকলে নিজের ওপর আপনার বিশ্বাস কমতে শুরু করবে। আর, মন ধীরে ধীরে ক্লান্ত হয়ে যাবে। নতুন বছরে তাই নিজের আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে হলে এই ধরনের মানসিকতার মানুষদের থেকে দূরে থাকা দরকার। আর এক ধরনের মানুষ হলেন যাঁরা সবসময় নিজেকে ভুক্তভোগী হিসেবে দেখাতে চান। তাঁদের জীবনে যা কিছু খারাপ ঘটে, তার জন্য সবসময় অন্যদের বা পরিস্থিতিকেই তাঁরা দায়ী করেন। নিজের ভুল স্বীকার করার মানসিকতা তাঁদের মধ্যে থাকে না। এই ধরনের মানুষের সঙ্গে বেশি সময় কাটালে আপনি অজান্তেই সেই একই মানসিকতায় অভ্যস্ত হয়ে পড়বেন। যা আপনার ব্যক্তিগত উন্নতির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। কিছু মানুষ আবার কেবল নিজের স্বার্থটা ছাড়া আর কিছুই বোঝেন না। আপনার সাফল্যে তাঁরা খুশি হওয়ার বদলে ঈর্ষান্বিতই হবেন। আর, সুযোগ পেলে আপনাকে ছোট করার চেষ্টা করবেন। বাইরে থেকে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করলেও ভিতরে ভিতরে তাঁরা আপনার অগ্রগতি মোটেও মেনে নিতে পারেন না। নতুন বছরে যদি আপনি সত্যিই এগোতে চান, তবে এই ধরনের মানুষের মুখোশ চিনে নেওয়াটাও অত্যন্ত জরুরি। এ ছাড়াও এমন মানুষজনও আছেন যাঁরা সবসময় অতীতেই আটকে থাকেন। পুরোনো ব্যর্থতা, পুরোনো কষ্ট কিংবা পুরোনো অভিযোগ নিয়েই তাঁদের জীবন সবসময় ঘোরে। তাঁরা নতুন সুযোগকে ভয় পান এবং পরিবর্তনকে সহজে মানতে চান না। এই ধরনের মানুষের সঙ্গে থাকলে নতুন বছরে নতুন কিছু শুরু করার আগ্রহ আপনার ধীরে কমে যেতে পারে। মনে রাখবেন, জীবন এগোয় কিন্তু পরিবর্তনের মাধ্যমে, সেই পরিবর্তনকে ভয় পাওয়া মানুষদের প্রভাব থেকে নিজেকে দূরে রাখা জরুরি। আর একটি ক্ষতিকর শ্রেণির মানুষ হলেন যাঁরা আপনার সময় এবং শক্তির মূল্যই বোঝেন না। তাঁরা অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা, অভিযোগ কিংবা নাটক তৈরি করে আপনার মানসিক শক্তি শুষে নেওয়ার চেষ্টা করেন। দিনের শেষে আপনি বুঝতেই পারেন না যে, কেন এত ক্লান্ত লাগছে। নতুন বছরে নিজের লক্ষ্য পূরণ করতে চাইলে সময় ও মানসিক শক্তিকে সঠিক জায়গায় ব্যবহার করাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ধরনের মানুষদের থেকে দূরে থাকা মানে কিন্তু সম্পর্ক ছিন্ন করা নয়, বরং নিজের সীমানাটা নির্ধারণ করা। সকলের সঙ্গে সব কথা ভাগ করে নেওয়া বা সব সমস্যার দায়িত্ব নিজের কাঁধে নেওয়ার প্রয়োজন নেই, একথা মাথায় রাখুন। নতুন বছরে নিজেকে অগ্রাধিকার দেওয়াটা আপনার দরকার। এটা কোনও স্বার্থপরতা নয়, বরং সুস্থ থাকার একটি অনন্য উপায়। দেখা যায় যে, অনেক সময় আমরা অভ্যাসবশত কিছু সম্পর্ক আঁকড়ে ধরে রাখি, যদিও তা আমাদের ক্ষতি করে থাকে। নতুন বছর আপনার সেই অভ্যাস বদলানোরই সেরা সময়। নিজের জীবনে কারা আপনাকে অনুপ্রাণিত করছে এবং কারা আপনাকে পিছিয়ে দিচ্ছে, তা ভেবে দেখাই এখন আপনার প্রথম ধাপ।
ভাষা দিবসের ছুটিতে মৌলবাদী কোপ! ‘আত্মঘাতী বাংলাদেশ’, বলছেন শীর্ষেন্দু-পবিত্র-সুবোধ
ভাষা আন্দোলনের মধ্যেই লুকিয়ে ছিল মুক্তিযুদ্ধের বীজ, তাই আক্রমণ?
Dilip Ghosh: ভোটের ময়দানে এবার ১৬ আনা দিলীপ! খবর খবর এল দল থেকে
BJP Leader Dilip Ghosh: দলে আনুষ্ঠানিক ভাবে সক্রিয় হওয়ার পরে রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য ও প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ দুর্গাপুরে একসঙ্গে সভা করতে চলছেন আগামী ১৩ জানুয়ারি। সূত্রের খবর, ৬ থেকে ২০ জানুয়ারি বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে ১৬টি সভা করতে পারেন দিলীপ ঘোষ। তা নিয়েই চর্চা চলছে পুরোদমে।
বাংলার ভোটে লড়তে চান লালুর জ্যেষ্ঠ পুত্র! বিহারের ফলাফল ভুলে জানালেন ‘বড়’পরিকল্পনার কথা
শুধু বাংলাতেই নয়, দেশের অন্যান্য রাজ্যেও তাঁর দল ভোটে লড়বে বলে জানালেন লালুর জ্যেষ্ঠ পুত্র।
জীবনী সাহিত্যের জীবিত লোকরূপ! ‘কথামৃত’-র আনন্দরসে আজও ডুবে আপামর বাঙালি
কল্পতরু উৎসবের আবহে ঠাকুর-স্মরণ।
R Ashwin |কোহলি-রোহিতরা গেলেই কি ‘বাতি নিভবে’ ওয়ানডে-র? অশ্বিনের ‘কড়া বার্তা’য় তোলপাড় ক্রিকেট বিশ্ব!
উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কি তবে তার অন্তিম শয়ানে? ২০২৭ সালের পর কি ৫০ ওভারের ম্যাচ শুধুই ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই পাবে? ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম তারকা ক্রিকেটার রবিচন্দ্রন অশ্বিনের সাম্প্রতিক একটি বিশ্লেষণ, ক্রিকেট দুনিয়ায় নতুন করে বিতর্কের আগুন উস্কে দিয়েছে। নিজের ইউটিউব চ্যানেল ‘অ্যাশ কি বাত’-এ অশ্বিন সাফ জানিয়েছেন, ওয়ানডে ফরম্যাট এখন ‘ধীর […] The post R Ashwin | কোহলি-রোহিতরা গেলেই কি ‘বাতি নিভবে’ ওয়ানডে-র? অশ্বিনের ‘কড়া বার্তা’য় তোলপাড় ক্রিকেট বিশ্ব! appeared first on Uttarbanga Sambad .
ভারতীয় কূটনীতিকের সঙ্গে ‘গোপন’বৈঠক! সাক্ষাৎকারে বিস্ফোরক জামাত নেতা
শফিকুর বলেন, শেখ হাসিনার ভারতে থাকা উদ্বেগের বিষয়।
মহিলা হোমগার্ড খুনের পর থেকে চম্পট! অবশেষে ক্যানিং হত্যাকাণ্ডে স্বরূপনগর থেকে গ্রেপ্তার SI
গত ২৭ ডিসেম্বর ক্যানিং থানার পিছনে পুলিশ আবাসন থেকে উদ্ধার হয় মহিলা হোমগার্ডের দেহ।
নতুন বছরের প্রথম দিনেই বিরল ‘১-১-১’ সংযোগ! ভাগ্য ফেরাতে আজ রাতেই এটা করুন
ক্যালেন্ডারের পাতা ওল্টানোর সাথে সাথেই শুরু হলো এক নতুন ইংরেজি বছর। তবে এই বছরের প্রথম দিনটি কেবল তারিখ পরিবর্তনের নয়, বরং সংখ্যাতত্ত্বের বিচারে এক অত্যন্ত দুর্লভ ও শক্তিশালী মহাজাগতিক সংযোগের সাক্ষী হতে চলেছে। সংখ্যাতাত্ত্বিকদের মতে, আজকের এই বিশেষ তারিখটি নতুন শুরু এবং দৃঢ় সংকল্পের এক অনন্য প্রতীক।
New Year good luck items: নতুন বছরের প্রথম দিনে বাড়িতে এই জিনিস রাখলে বদলে যেতে পারে ভাগ্য!
New Year good luck items: নতুন বছর মানেই নতুন করে শুরু। বছরের প্রথম দিনটি কিন্তু শুধু ক্যালেন্ডারের পাতা বদলানোর সময় নয়। বরং মন এবং ঘরের পরিবেশ নতুন করে সাজানোর এক সুযোগ। বহু মানুষ বিশ্বাস করেন যে, বছরের প্রথম দিনে বাড়িতে কিছু শুভ জিনিস রাখলে তার প্রভাব সারা বছর ধরে ঘরে থাকে। এই বিশ্বাসের পেছনে আছে বাস্তুশাস্ত্র এবং লোকাচারের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা। বাস্তুশাস্ত্র এবং লোকাচার অনুযায়ী, ঘরের পরিবেশ ও মানুষের মানসিক অবস্থার মধ্যে গভীর যোগ রয়েছে। এটা তো সত্যিই যে, নতুন বছরের প্রথম দিনে ঘরে এমন কিছু রাখা হলে মন স্বস্তি পায়। মনে ইতিবাচক ভাবনা তৈরি হয়। এই ইতিবাচক ভাবনাই ক্রমশ কাজের সিদ্ধান্ত, সম্পর্ক এবং আর্থিক অবস্থার ওপর প্রভাব ফেলতে শুরু করে। তাই বছরের প্রথম দিনেই ঘরকে পরিষ্কার এবং সুন্দর করে তোলার পর কিছু শুভ প্রতীক রাখা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। জলের উপস্থিতি ঘরে সৌভাগ্যের প্রতীক বলে মনে করা হয়। পরিষ্কার জলে রাখা মাছ বা জলভর্তি কাচের পাত্র ঘরের ভিতরে জীবনের প্রবাহকে সক্রিয় করে বলেই বিশ্বাস। নতুন বছরের প্রথম দিনে যদি ঘরে এমন কোনও জিনিস রাখা হয়, তবে তা আর্থিক স্থিতি ও মানসিক শান্তি বাড়াতে সহায়তা করতে পারে। তবে জল যেন পরিষ্কার থাকে, সেদিকে বিশেষ নজর রাখা অত্যন্ত জরুরি, কারণ নোংরা জল নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করা হয়। আরও পড়ুন- ২০২৬ সালে অফিসে এই ৫ ভুল করলে কেরিয়ার আটকে যাবে! বাড়ির প্রবেশপথের কাছে আলো এবং পরিচ্ছন্নতা নতুন বছরে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাড়ির দরজার কাছে যদি সুন্দর আলো থাকে এবং জায়গাটি যদি পরিপাটি করে রাখা হয়, তবে তা নতুন সুযোগকে আমন্ত্রণ জানায়। এমনটাই মনে করা হয়। প্রথম দিনে দরজার সামনে কোনও অপ্রয়োজনীয় জিনিস না রেখে তাই জায়গাটি খোলা রাখলে ঘরে ইতিবাচক শক্তির প্রবেশ সহজ হয়। আরও পড়ুন- নতুন বছরে বসকে পাঠান এই শুভেচ্ছাবার্তা, সম্পর্ক হবে আরও শক্তিশালী নতুন বছরের প্রথম দিনে ঘরে কোনও শুভ প্রতীক রাখলে তার মানসিক প্রভাবও গভীর হয় অনেকটাই। যেমন কিছু প্রাণীর প্রতীক বহু সংস্কৃতিতেই সৌভাগ্যের সঙ্গে যুক্ত বলে মনে করা হয়। এই ধরনের প্রতীক ঘরে রাখলে মনে ভরসা এবং স্থিরতা আসে। যা, আমাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে। এই মানসিক স্থিরতাই জীবনের মোড় অনেক সময়ই দেখা যায় যে ঘুরিয়ে দেয়। আরও পড়ুন- স্বাগত ২০২৬! ভারত ও বিশ্বজুড়ে নতুন বছর উদযাপনের আপডেট দেখুন ঘরের আসবাবপত্রের ক্ষেত্রেও প্রথম দিনে সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে শোবার ঘরে মাথার দিকে কিছু শক্ত থাকলে তা নিরাপত্তা এবং স্থায়িত্বের অনুভূতি দিয়ে থাকে। নতুন বছরের প্রথম দিনে এই বিষয়টি ঠিক করে নিলে সারা বছরই মন শান্ত থাকে বলেই বিশেষজ্ঞদের বিশ্বাস। ভালো ঘুম এবং শান্ত মন জীবনের অনেক সমস্যার সমাধান সহজেই করে দিতে পারে। আরও পড়ুন- সূর্যের শক্তিতে খুলবে ভাগ্য, এই জন্ম তারিখগুলির জন্য ২০২৬-এ পদোন্নতির যোগ প্রবল! পাশাপাশি, প্রকৃতির প্রতীক ঘরে রাখাও নতুন বছরের জন্য অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। ফুল, গাছ বা সবুজ রঙের কোনও উপাদান ঘরে থাকলে তা প্রাণশক্তি বাড়ায় বলেই ধরে নেওয়া হয়। বছরের প্রথম দিনে ঘরে সবুজের ছোঁয়া থাকলে নতুন পরিকল্পনা এবং আশা জন্ম নেয়। যা ক্রমশ বাস্তবের চেহারা নিয়ে থাকে। ঘরের দেওয়ালে নতুন বছরের প্রথম দিনে ঘরের দেওয়ালে এমন ধরনের ছবি রাখা উচিত, যা গতি এবং অগ্রগতির প্রতীক। এই ধরনের ছবি প্রতিদিন চোখে পড়লে আমাদের মন অনুপ্রাণিত হয়। এই অনুপ্রেরণা থেকেই আসে উদ্যোগ। আর উদ্যোগই পরিবর্তন আনে জীবনে। তাই ঘরের সাজসজ্জায় এই বিষয়টি মাথায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। তবে শুধু ঘরে জিনিস রাখলেই ভাগ্য বদলে যাবে, এমনটা কিন্তু নয়। আসলে এই সব জিনিস মানুষের মনে ইতিবাচক বিশ্বাস তৈরি করে দিয়ে থাকে। বিশ্বাস শক্ত হলে কাজের প্রতি মনোযোগ বৃদ্ধি পায়। এতে সিদ্ধান্তে স্পষ্টতা আসে এবং ভুলও কম হয়। নতুন বছরের প্রথম দিন এটাই বিশ্বাসের বীজ বপনের সেরা সময়। সব মিলিয়ে বলা যায়, নতুন বছরের প্রথম দিনে বাড়িতে কিছু শুভ জিনিস রাখা মানে নিজের মন ও পরিবেশকে নতুন করে সাজিয়ে নেওয়া। এই ছোট পরিবর্তনই সারা বছর ধরে আমাদের জীবনে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। তাই বছরের প্রথম দিনটিকে অবহেলা না করে সচেতনভাবে ঘর ও মন দুটোই সুন্দর করে গড়ে তুলুন। মনে রাখতে হবে যে ভাগ্য বদলাতে সময় লাগতে পারে। কিন্তু, শুরুটা এই দিন থেকেই হলে পথটা অনেকটাই সহজ হয়ে যায়।
ছেলেকে বিমানবন্দরে ছাড়তে আসাই কাল! বর্ধমানে গাড়ি দুর্ঘটনায় মৃত্যু পরিবারের ৩ জনেরই
গাড়িটির চালক আশঙ্কাজনক অবস্থায় বর্ধমান মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন।
আকাশছোঁয়া রিটার্নের পর আকস্মিক ধস, ছাব্বিশে বিরাট পতন রুপোর! কী মত বিশেষজ্ঞের?
জানুন বিনিয়োগের কৌশল।
যুবভারতী কাণ্ডে ‘বঞ্চিত’ দর্শকদের টাকা ফেরাচ্ছে SIT
আয়োজক সংস্থার দায়িত্ব দেওয়া জোমাটো কর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পেরেছে পুলিশ। ঘটনার পর ডিজিপি রাজীব কুমার সাংবাদিক বৈঠক করে দর্শকদের আশ্বস্ত করেছিলেন, তাঁদের প্রত্য়েকের টাকা ফেরত দেওয়া হবে। এবার সেই প্রক্রিয়া শুরু হল।
কল্পতরুতে ভবতারিণীর দর্শন, ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো
কাশীপুর উদ্যানবাটিতে কল্পতরু হয়েছিলেন রামকৃষ্ণদেব। সেই ঘটনাকে স্মরণ করে বিভিন্ন জায়গায় কল্পতরু উৎসব হয়ে আসছে। প্রতি বছর ১ জানুয়ারি কাশীপুর ছাড়াও দক্ষিণেশ্বর ও কামারপুকুরেও পালিত হয় সেই উৎসব। বছর শুরুর দিনটিতে দক্ষিণেশ্বরে ভবতারিণীর দর্শনের আশায় এদিন সকাল থেকে পুণ্যার্থীরা ভিড় জমাতে থাকেন। এবারও কোনও ব্যতিক্রম হয়নি।
বর্ষবরণের রাতে রায়গঞ্জে তৃণমূল যুব নেতার রহস্যমৃত্যু, ধৃত ২
গুরুতর আহত অবস্থায়নবেন্দুকে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।সেই মুহূর্তে তাঁর সঙ্গে ছিলেন না তাঁর রাজনৈতিক দলের কোনও সঙ্গী। মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়।
Maritime Power, GRSE: ৪৪,৭০০ কোটির মাস্টারস্ট্রোক! গার্ডেনরিচই কি গেমচেঞ্জার?
Garden Reach Shipbuilders, Maritime Power: কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রক ৪৪ হাজার ৭০০ কোটি টাকার দুটি মেগা প্রকল্পের গাইডলাইন প্রকাশ করেছে। লক্ষ্য একটাই, ভারতকে বিশ্বমানের শিপবিল্ডিং হাবে পরিণত করা। ২০৩৬ সাল পর্যন্ত কার্যকর এই প্রকল্পে ১৫ থেকে ২৫ শতাংশ আর্থিক সাহায্য দেবে সরকার।
Gazol |বর্ষবরণের সকালে আদিনা ডিয়ার পার্কে উপচে পড়ল ভিড়, মুখে হাসি ব্যবসায়ীদের
গাজোল: সকালের দিকে ভিড় কিছুটা কম থাকলেও বেলা যত বেড়েছে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মানুষের ভিড়ে কার্যত জনসমুদ্রের চেহারা নিয়েছে গৌড়বঙ্গের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র আদিনা সহ সংলগ্ন এলাকা। ভিড় সামলাতে হিমসিম খেতে হয়েছে আদিনা ডিয়ার পার্কের (Adina Deer Park) বনকর্মীদের। দুপুরের মধ্যেই ৩০ হাজারের বেশি পর্যটক প্রবেশ করেছেন ভেতরে। কড়া নজরদারি ছিল পুলিশের। গাজোল থানার আইসি […] The post Gazol | বর্ষবরণের সকালে আদিনা ডিয়ার পার্কে উপচে পড়ল ভিড়, মুখে হাসি ব্যবসায়ীদের appeared first on Uttarbanga Sambad .
আমেরিকায় মূল্যবৃদ্ধি! তিন জিনিসে শুল্কবৃদ্ধির নির্দেশ স্থগিত ট্রাম্পের, কী কারণ দেখালেন?
এক বছরের জন্য পিছিয়ে দেওয়া হল শুল্কবৃদ্ধির নির্দেশ।
পঞ্চায়েত সদস্যকেই মার, আটকে রাখা হল দলীয় কার্যালয়ে!
পঞ্চায়েত সদস্যকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। উপপ্রধানের অনুগামীদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ। বীরভূমে এর আগেও তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দলের অভিযোগ ওঠে। বারবার তপ্ত হয়ে ওঠে বীরভূম। দলের প্রতিষ্ঠা দিবসের দিনও একই ছবি ধরা পড়ল।
বছরের প্রথমদিনে তারাপীঠে ভক্তের ঢল, বিশেষ ভোগ নিবেদনে হল মায়ের পুজো
অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা মন্দির চত্বরে।
Sheikh Brothers Bakery: গুয়াহাটির শেখ ব্রাদার্স, ১৪০ বছরের বাঙালি বেকারি আজ ইতিহাসের চলমান ভাষ্যকার!
Second oldest bakery in India: এদেশের চালু বেকারিগুলোর মধ্যে কোনটি প্রাচীনতম? এই প্রশ্নটা গুগলে টাইপ করলেই সঙ্গে সঙ্গে বের হয়ে আসবে “দি রয়্যাল বিস্কুট কোম্পানি” নামক একটি নাম। ১৮৮০ সালে কেরলের থালাসেরি নামক এক অতি ক্ষুদ্র জনপদে মামবল্লি বাবু নামে এক ব্যক্তির খোলা এই প্রতিষ্ঠান এখনও দাপিয়ে ব্যবসা করে যাচ্ছে কেরলের নানা শহরে। এবার যদি প্রশ্ন করা হয় ভারতের চালু বেকারিগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় প্রাচীনতম কোনটি? তখন কিন্তু গুগলবাবু মোটেও খুব স্পষ্ট ভাবে এক সেকেন্ডের মধ্যে কোন উত্তর দিতে পারবে না। আর পারবেই বা কি করে? ভারতের চালু দ্বিতীয় প্রাচীনতম বেকারি প্রতিষ্ঠানটি তো এক বাঙালির আর বাঙালি কবে নিজের ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সসম্মানে সঠিক জায়গায় সংরক্ষিত করতে পেরেছে? সুতরাং কপাল খুব ভালো না থাকলে ইন্টারনেট থেকে আপনার “শেখ বেকারী” নামক একটি ১৪০ বছরের পুরানো বাঙালি প্রতিষ্ঠান নিয়ে খুব বেশী তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা একেবারে কম। অথচ ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এবং অসম সহ সমগ্র পূর্ব ভারতের প্রথম আধুনিক বেকারি ও কনফেকশানরি হিসেবে এই সংস্থাটির জন্য গর্বে আপনার বুক ফুলে ওঠার কথা। আরও পড়ুন- Greetings card: নব্বইয়ের দশকের প্রেম আর কার্ড, দুটোই অতীত, হাজারটা অনুভূতির সেই দিন আজ আর নেই... Sheikh Bakery Guwahati: ১৮৯০ সাল নাগাদ অসমের রাজধানী শিলংয়ের রাজভবন অর্থাৎ ছোটলাটের অফিস থেকে আসতে শুরু করে অর্ডার। হুগলী জেলার আরামবাগের কাছে এক ছোট্ট গ্রাম জাসার (পূর্ব বঙ্গের যশোরের সঙ্গে ভ্রান্তি হয়ে যেতে পারে) থেকে উনিশ শতকের শেষের দিকে কলকাতায় হাজির হন যুবক শেখ গুলাম ইব্রাহিম। নিজের চেষ্টায় কলকাতার মির্জাপুর ষ্ট্রিটে খোলেন একটি আধুনিক পাউরুটি ও কেকের কারখানা। বানিজ্যিক সাফল্য এসে যায় অল্প সময়ের মধ্যেই। সব কিছু যখন ঠিক মত চলছে সেই সময় অর্থাৎ ১৮৮১ সালে কলকাতায় মহামারী রূপে দেখা দিল প্লেগ এবং এই ধাক্কায় শেখ গুলাম ইব্রাহিমের বেকারী ব্যবসা বিপুল আর্থিক ক্ষতির সামনে পড়ে। কার্যত রাতারাতি কলকাতার ব্যবসা গুটিয়ে শেখ ইব্রাহিমকে জীবিকার প্রয়োজনে রাস্তা নির্মাণের ঠিকাদারী করার কাজ নিয়ে চলে আসতে হয় আসামের গৌহাটি শহরে। আরও পড়ুন- Weekend trips: কলকাতার এত কাছে এ যেন স্বর্গ! কোলাহলহীন পাহাড়ি প্রান্তের অপার্থিব নীরবতায় মুন্ত্রমুগ্ধকর স্বস্তি! Oldest bakery in Northeast India: ১৯২০’র দশকে শেখ বেকারী গুয়াহাটির পান বাজারের বর্তমান ঠিকানায় একটি কাঠের “অসম হাট” বাড়িতে স্থানান্তরিত হয়। যে সময়টায় শেখ ইব্রাহিম গৌহাটিতে উপস্থিত হন অর্থাৎ ১৮৮১ সালের আশেপাশে সেই সময় সমগ্র অসম জুড়ে চলছে এক বিরাট অর্থনৈতিক - সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তন। এর কারণে তখনই অসমে চলছে রেলপথের সম্প্রসারন এবং বানিজ্যিক শস্য হিসেবে অসমের চা উৎপাদনে বিপুল ব্রিটিশ পুঁজির বিনিয়োগ। সারা ভারতবর্ষের মানুষ এবং বিরাট সংখ্যায় ইউরোপিয়ানরা তখন হাজির হচ্ছেন অসমে নানা রকম জীবিকার আগ্রহে। সারা অসম জুড়ে নতুন ভাবে তখন প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে ক্লাব, গলফ কোর্স, রেলওয়ে ইন্সটিটিউট, হোটেল, সাহেব কলোনী সহ নানা কিছু। মনে রাখতে হবে সেদিনের অসম মানে আজকের সমগ্র অসম, বাংলাদেশের সিলেট জেলা, সমগ্র মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড সহ আরও নানা প্রত্যন্ত অঞ্চল – সেই বিরাট অসমের রাজধানী তখন শিলং শহর যাকে সাহেবরা স্কটল্যান্ডের মত করে সাজাতে শুরু করেছেন তখন। আরও পড়ুন- Weekend Getaway: কলকাতার দোরগোড়ায় অপূর্ব-অসাধারণ নতুন এক সমুদ্র সৈকত আবিষ্কার! উইকেন্ড ট্রিপে বাম্পার হিট! Bengali bakery history: পান বাজারের দোকান শুধুমাত্র বেকারি থেকে পরিণত হয় কনফেকশানরী ফুড স্টোরে। প্রবল বুদ্ধিমান শেখ ইব্রাহিমের বুঝতে অসুবিধা হয়নি যে এই নতুন কসমোপলিটন অসমে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আসতে বাধ্য। প্রথমে একটা ছোট সোডা ওয়াটার প্ল্যান্ট দিয়ে শুরু করলেও শেখ ইব্রাহিম ১৮৮৫ সালেই গৌহাটি শহরে শুরু করলেন সম্পূর্ণ পশ্চিমী কায়দায় পাউরুটি কারখানা। এর মাত্র কিছুদিন পরেই শুরু করলেন বিস্কুট আর কেকের উৎপাদন। এরই মধ্যে হুগলির গ্রাম থেকে ডেকে নিলেন দুই ছোট ভাই শেখ সাবিরুদ্দিন এবং শেখ কাবিকুদ্দিনকে। ১৮৮৫ সালেই প্রতিষ্ঠিত হল “শেখ বেকারি” – শুরু হল সবার অজান্তে বাঙালির এক গৌরবময় বানিজ্যযাত্রা। কেক অথবা পাউরুটি, এইসব আজব খাদ্য বস্তুর সঙ্গে অসমের স্থানীয় মানুষের সেই সময় খুব কম পরিচয় ছিল – তার উপর এই অপরিচিত খাবার তৈরি করছে মুসলমান দোকান! সুতরাং প্রথম দিকে স্থানীয় মানুষের থেকে আশাপ্রদ সাড়া পাওয়া গেলো না। কিন্তু “গৌহাটি শহরে পাওয়া যাচ্ছে কলকাতার মতন সুস্বাদু পাউরুটি আর কেক।“ এই খবরটা কানে যাওয়া মাত্র ইওরোপিয়ানরা বিপুল সংখ্যায় ভিড় করল শেখ বেকারির দোকানের সামনে। আরও পড়ুন- Offbeat Destination: বাংলার এই পাহাড়ি গ্রামের মন্ত্রমুগ্ধকর পরিবেশের প্রেমে পড়বেনই! হৃদয় জুড়োতে এপ্রান্তের জুড়ি নেই! তবে খুব বেশীদিন সময় লাগেনি স্বাদ, গন্ধ আর পুষ্টি দিয়ে সাধারণ মানুষের হৃদয় জিতে নিতে। কয়েক বছরের মধ্যেই শেখ বেকারীর তাজা, সুগন্ধী ও জিভে জল আনা পাউরুটি, চীজ স্ট্র, কেক আর নানা ধরণের তাজা বিস্কুটের টানে সাহেব ও দেশী খদ্দেরের ভিড়ে জমজমাট হয়ে গেলো শেখ বেকারির দোকান। ১৮৯০ সাল নাগাদ অসমের রাজধানী শিলংয়ের রাজভবন অর্থাৎ ছোটলাটের অফিস থেকে আসতে শুরু করল অর্ডার। ১৯০৫ থেকে প্রতিদিন খুব ভোরে একাধিক ঘোড়ার গাড়িতে বোঝাই হয়ে গৌহাটি – শিলং রোড ধরে শেখ বেকারীর খাবার গৌহাটি থেকে রওনা দিত শিলংয়ের রাজভবনে। কারণ শেখ বেকারীর খাবার ছাড়া ব্রিটিশদের ব্রেকফাস্ট জমত না। এর পরিষ্কার প্রমাণ আছে অসমের গভর্নর জন হেনরী কেরের ডাইরির ২৪শে নভেম্বর ১৯২৩ সালের পাতাটিতে। তখন কোনও কারণে মেরামতির জন্য গৌহাটি শিলং রাস্তা বন্ধ, ফলে শিলংয়ে আসছে না শেখ বেকারির খাবার। সেদিন তার ডাইরিতে লিখেছেন…. “Local bread is too hard and sticky…. Gohati bread is soft” বলাই বাহুল্য এই “Gohati bread” হল শেখ বেকারির bread। শিলং রাজভবনের নথি প্রমাণ দিচ্ছে সেই সময় গভর্নরের বড়দিনের পার্টির জন্য শেখ ব্রাদার্সের দোকান থেকে আনা হচ্ছে প্রায় ৩৮০ টাকার খাবার এবং বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে যাতে সব খাবার পার্টির দিন দুপুর বারোটার মধ্যে রাজভবনে পৌঁছে যায়। আরও পড়ুন- Offbeat Destination: বাংলার এই পাহাড়ি গ্রামের মন্ত্রমুগ্ধকর পরিবেশের প্রেমে পড়বেনই! হৃদয় জুড়োতে এপ্রান্তের জুড়ি নেই! শেখ পরিবারের কাছে এখনও রক্ষিত আছে ২৫ মে ১৯৩৪ সালে শিলং রাজভবন থেকে বিশেষ চিঠি। যেখানে তাদের ৪ঠা জুন থেকে ১২ই জুন প্রতিদিন দুটো অতিরিক্ত রুটির প্যাকেট দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। সেই সময়কার Assam Gazette খুললেই চোখে পড়বে যে অসম সরকার গৌহাটির শেখ ব্রাদার্সকে সরকারি বেকারী সরবরাহকারি সংস্থা বলে উল্লেখ করেছেন। একটি ভারতীয় সংস্থার পক্ষে এটা একটা বিরাট গৌরব। হেনরী কের ছাড়াও অসমের অন্য লাটসাহেবরা যেমন স্যার মাইকেল, রবার্ট নেইল রেইড এরা সবাই শেখ বেকারীর গুনমুগ্ধ ছিলেন। স্বাধীনতার পরেও প্রায় সব ভারতীয় রাজ্যপাল একই বেকারির স্বাদ ও গন্ধে মাতয়ারা ছিলেন। এই দোকানের নানা খাবারের ভক্ত ছিলেন স্বয়ং জহরলাল নেহেরু। তাঁর অসম সফর শেখ বেকারীর বিস্কুট এবং চিজ স্ট্র না হলে সম্পূর্ণ হতো না যদিও জহরলাল নিজে কোনওদিন শেখ ব্রাদার্সের পান বাজারের দোকানে আসেননি। ১৯২০’র দশকে শেখ বেকারী গৌহাটির পান বাজারের বর্তমান ঠিকানায় একটি কাঠের “অসম হাট” বাড়িতে স্থানান্তরিত হয়। এখন সেখানেই তাদের বিরাট দোকান ও ইমারৎ। এই দোকানে অবশ্য বেশ কয়েকবার এসেছেন ইন্দিরা গান্ধী। শেখ বেকারীর বহু খাবার তিনি প্যাক করে দিল্লী নিয়ে যেতেন বলে জানা যায়। শেখ ব্রাদার্স তার খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছায় যখন শেখ খুদা হাফেজ, শেখ আলি হুসেন এবং শেখ সুলতান হুসেন এর দায়িত্বে আসেন। এদের সময়ই বহু নতুন পরীক্ষা শুরু হয় এবং পান বাজারের দোকান শুধুমাত্র বেকারি থেকে পরিণত হয় কনফেকশানরী ফুড স্টোরে। কেন ১৮৮৫’র ছোট্ট দোকান এভাবে পার করতে পারলো ১৪০টি সোনার বছর? সম্ভবত এর উত্তর আছে সংস্থার পুরানো কাগজপত্রে যেখানে দেখা যাচ্ছে সেই সময় ময়দা ও চিজ আনা হতো অস্ট্রেলিয়া থেকে, বেলজিয়াম থেকে আনা হতো ইষ্ট, কাজুবাদাম আনা হতো গোয়া থেকে আর ইরান থেকে আসতো শুকনো ফল। এক সময় চিজ স্ট্র বানানোর জন্য বার্মা থেকে আনা হয়েছিল গুলু মিস্ত্রি থেকে এক কারিগরকে। তাঁর তৈরি “সিক্রেট রেসিপি” তা্ঁর মৃত্যুর পরে আজও “সিক্রেট”। বর্তমানে ব্যবসার প্রাণ পুরুষ আলতাহ হুসেন ও তার ভাইপো শাহরিয়ার। প্রায় ৬০ জন কর্মচারী সহ জমজমাট শেখ ব্রাদার্সের বেক হাউসে এখনও প্রতিদিন প্রায় ২৫০০ ডিম, ৩০০ কিলো চিনি, ৫০০ কিলো মাখন দিয়ে তৈরি হয় প্রায় ৬০ ধরণের নানা সুস্বাদু খাবার যার মধ্যে শুধু বিস্কুট তৈরি হয় ৭০০ কিলো আর প্রায় ৮০০০ পাউন্ড ওজনের কেক। “এখনও আমাদের দোকানের কেক ছাড়া মেঘালয়, মিজোরাম বা নাগাল্যান্ডের বহু পরিবারের খৃষ্টমাস পালন অসম্পূর্ণ”। সুদর্শন ঝকঝকে যুবক শাহরিয়ারের দুই চোখে তখন গর্বের ঝিলিক এবং তার সঙ্গেই তিনি বলতে ভোলেন না যে সারা উত্তর পূর্ব ভারতে ১৪০ বছর দাপিয়ে ব্যবসা করার পরেও শেখ পরিবারের দেশের বাড়ি আজও হুগলীর আরামবাগের কাছে সেই ছোট্ট গ্রামটি। এই বড়দিন ও নববর্ষের সপ্তাহ জুড়ে যখন প্রতিদিন ভোরবেলা থেকে গৌহাটির পান বাজারে খদ্দেরদের বিরাট ভিড় তখনও শাহরিয়ার সময় বের করে চলে এসেছেন তার হুগলীর গ্রামের বাড়ি জাসরে। সেখানেই পরিবারের সবার সঙ্গে হচ্ছে বর্ষশেষের উৎসব।
বেঙ্গল সুপার লিগে প্রথম হার সুন্দরবনের, দুরন্ত জয়ে বছর শুরু এফসি মেদিনীপুরের
জমে উঠেছে বেঙ্গল সুপার লিগ।
দেখাতে পারেননি প্রয়োজনীয় নথি! বছরের প্রথম দিনই বসিরহাটে SIR আতঙ্কে মৃত্যু বৃদ্ধের
বৃদ্ধ ২০০২ সালে পরিযায়ী শ্রমিক হিসাবে ভিন রাজ্যে কাজ করতেন, তাই তালিকায় নাম নেই বলে জানিয়েছে পরিবার।
বছরের প্রথম দিনেই সাফল্য! নদিয়া সীমান্তে উদ্ধার ১ কোটি টাকার সোনা, গ্রেপ্তার এক
উদ্ধার হলো ১ কোটি টাকার সোনা।
Ranaghat: হোমে যুবতীর উপর ভয়ঙ্কর কাণ্ড, হাসপাতালে মৃত্যু! পুলিশ তুলে নিয়ে গেল মালিককে
Ranaghat Case: মৃত প্রতিবন্ধী মহিলার পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন থেকেই মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার চালানো হয়েছে। এক অবস্থা বেগতিক দেখে বাড়িতে দিয়ে আসা হয়। ইতিমধ্যেই রানাঘাট থানায় অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে পরিবারের তরফে। তদন্তে নেমেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে ওই বেসরকারি হোমের লোকজনকে।
Tamanna: হাসপাতালেও শান্তি নেই! পুলিশের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ পরিবারের, আশঙ্কাজনক তামান্নার মা
Kaligunj: তামান্না খুনের মামলায় অভিযুক্ত হিসেবে ২৪ জনের তালিকা ছিল। ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তামান্নার মাকে বাকি অভিযুক্তরা হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ। তার জেরেই এই সিদ্ধান্ত নেন সাবিনা, দাবি পরিবারের। এবার পুলিশের বিরুদ্ধেই উঠল বিস্ফোরক অভিযোগ।
Bengal SIR 2025: উত্তরপ্রদেশের ‘মৃত’ মানুষটি হল জীবিত, 'প্রাণ ফেরালো' বাংলার SIR
Bengal SIR 2025: উত্তরপ্রদেশের মুজফফরনগরের ৭৯ বছর বয়সী শরিফ আহমেদ দীর্ঘ কয়েক দশক নিখোঁজ থাকার পরে অবশেষে SIR-এর জরুরি নথি সংগ্রহে হাজির হন দেশের বাড়িতে। তাকে জীবিত দেখে কার্যত অবাক হয়ে যায় গোটা পরিবার। পরিবার সূত্রে খবর, ১৯৯৭ সালের পর থেকে নিখোঁজ শরিফ আহমেদকে দীর্ঘদিন ধরে খুঁজে না পেয়ে মৃত বলেই ধরে নেন পরিবারের লোকজন। তবে ২৯ ডিসেম্বর, তিনি হঠাৎ বাড়ি উত্তরপ্রদেশে নিজের বাড়িতে ফিরে আসেন। জানা গিয়েছে বাংলায় চলমান SIR-এর কারণে প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহেই তিনি বাড়ি গিয়েছিলেন। আরও পড়ুন- ফেব্রুয়ারি থেকে বেড়ে যাচ্ছে সিগারেটের দাম! আইটিসি-গোডফ্রে শেয়ারে চাপে আরও পড়ুন- West Bengal news live updates: নতুন বছরের প্রথম দিনেই নবান্নে বড় চমক! বাংলার প্রথম মহিলা মুখ্য সচিব পদে নন্দিনী চক্রবর্তী PTI-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শরিফ আহমেদ তার প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পর দ্বিতীয় বিয়ে করে বাংলায় চলে আসেন। দীর্ঘ সময় ধরে পরিবারের সঙ্গে তার কোনও যোগাযোগ ছিল না। তার পরিবার এবং চার কন্যারা ধরে নিয়েছিলেন যে তিনি মারা গেছেন। তার ভগ্নিপতি ও পরিবার দীর্ঘদিন ধরে তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছিলেন। এমনকি পশ্চিমবঙ্গেও খোঁজ করেছিলেন, কিন্তু মেলেনি সাফল্য। আরও পড়ুন- আজ তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবস! ২৮ বছরে জোড়াফুল! ক্ষমতার পথে দলের দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা তবে SIR-এর জন্য প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করতে গিয়ে তিনি মুজফফরনগরে ফিরে যান। দীর্ঘদিন পরে পরিবারের সঙ্গে তার পুনর্মিলন আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি করে। ভগ্নিপতি ও পরিবার বলছেন, “এত বছর পরে তাকে দেখে আমরা সবাই আবেগপ্রবণ হয়ে উঠেছি।” তবে খুব কম সময় সেখানে থেকে শরিফ আবারও মেদিনীপুর জেলার তার পরিবারের কাছে ফিরে যান। পশ্চিমবঙ্গে SIR কার্যক্রম ৪ নভেম্বর শুরু হয় এবং খসড়া ভোটার তালিকা ১৬ ডিসেম্বর প্রকাশিত হয়। এই প্রক্রিয়ায় ৫৮ লক্ষের বেশি নাম বাদ পড়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন। বর্তমানে চলছে এসআইআরের বিশেষ শুনানি পর্ব। এর পরই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। আরও পড়ুন- রাজ্যের প্রথম মহিলা মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, বড় পদে 'বিদায়ী' মনোজ পন্থও আরও পড়ুন- পহেলগাঁও জঙ্গি হামলা থেকে আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা, ফিরে দেখা ২০২৫-এর দেশ-বিদেশের শীর্ষ সংবাদ
Agastya Nanda: 'শালীনতা রেখে..', সিমরের শাড়ির আঁচল ধরতেই নাতি অগস্ত্যকে খোঁচা অমিতাভের?
বৃহস্পতিবার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে অমিতাভ বচ্চনের নাতি অগস্ত্য নন্দার দ্বিতীয় পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ইক্কিস’। ছবিটি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এর মাধ্যমেই প্রয়াত কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর মরণোত্তর মুক্তি ঘটল। মুক্তির আগে ছবির প্রচারে অংশ নিতে, অগস্ত্য হাজির হন জনপ্রিয় কুইজ শো ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’-র মঞ্চে, সঙ্গে ছিলেন তাঁর সহ-অভিনেতা ও নবাগত অভিনেত্রী সিমর ভাটিয়া, যিনি অভিনেতা অক্ষয় কুমারের ভাগ্নি। কেবিসির সেটে অগস্ত্য ও সিমরের উপস্থিতি ঘিরে, বেশ কিছু মজাদার মুহূর্ত ধরা পড়েছে শোয়ের প্রচারমূলক ক্লিপে। সেখানেই সিমর খোলাখুলি জানান, প্রথমবার কেবিসির মতো মঞ্চে আসা নিয়ে, তিনি কিছুটা নার্ভাস ছিলেন। অমিতাভ বচ্চন তাঁকে জিজ্ঞাসা করেন, অগস্ত্য কি কখনও তাঁকে কোনও নির্দেশ বা উপদেশ দিয়েছিলেন কি না। উত্তরে সিমর হাসতে হাসতে বলেন, “আপনি যেভাবে অগস্ত্যের সঙ্গে কথা বলছেন, সেটা দেখে আমার খুব ভালো লাগছে। তবে শুরুতে অগস্ত্য আমাকে একটু ভয় দেখিয়েছিল। সে বলেছিল, আপনার সামনে আমাকে খুব শালীন থাকতে হবে।” Bengali Cinema 2026: উইন্ডোজের ২৫ বছর, দেব-জিৎ-প্রসেনজিৎ থেকে মিমি! ২০২৬-এ জমজমাট বাংলা সিনেমা সঙ্গে সঙ্গেই বিগ বি হাসিমুখে তাঁকে আশ্বস্ত করে বলেন, “কোনও শালীনতা-টালীনতা নেই। যা খুশি বলুন, স্বচ্ছন্দ থাকুন, কোনও চাপ নেবেন না।” এই মন্তব্যে পুরো সেটেই হাসির রোল পড়ে যায়। অগস্ত্য তখন অবাক হয়ে সিমরের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করেন, তিনি আদৌ এমন কিছু বলেছিলেন কি না। পরিস্থিতি আরও মজার হয়ে ওঠে যখন অমিতাভ নিজেই নাতিকে উদ্দেশ করে বলেন, “তুমি কেন ওকে ভয় দেখাচ্ছ?” আরও একটি ক্লিপে দেখা যায়, বিগ বি অগস্ত্যকে মজা করে খোঁচা দিচ্ছেন। তিনি লক্ষ্য করেন, কীভাবে অগস্ত্য সিমরের শাড়ির আঁচল ধরে তাকে হটসিটে বসতে সাহায্য করেছিলেন। অমিতাভ বলেন, “এটা খুব ভদ্র আচরণ, তোমাকে অভিনন্দন। আমার খুব ভাল লাগল এটা দেখে। তবে জীবনে এই প্রথম তোমাকে এমন করতে দেখলাম।” Spirit first look: নতুন বছরের শুরুতেই ‘স্পিরিট’-এর ফার্স্ট লুক, প্রভাস–তৃপ্তিকে ঘিরে বিতর্ক এছাড়াও শোয়ে অমিতাভ বচ্চন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন তাঁর প্রয়াত সহ-অভিনেতা ধর্মেন্দ্রকে। তিনি ‘শোলে’ ছবির একটি দৃশ্যের কথা ভাগ করে নেন, যেখানে ধর্মেন্দ্র তাঁকে এত শক্ত করে ধরে রেখেছিলেন যে সেই যন্ত্রণাই দৃশ্যটিকে আরও বাস্তব করে তুলেছিল। এই স্মৃতিচারণ দর্শকদের আবেগতাড়িত করে তোলে এবং ‘ইক্কিস’-এর মুক্তিকে ঘিরে আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দেয়।

13 C